Bartaman Logo
২৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ার তরমুজ এবার বিক্রি হবে কলকাতায়

এবার বাঁকুড়ার তরমুজ বিক্রি হবে কলকাতায়। শনিবার থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চাষিদের কাছ থেকে ১৩ টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনা শুরু হল।

বাঁকুড়ার তরমুজ এবার বিক্রি হবে কলকাতায়
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: এবার বাঁকুড়ার তরমুজ বিক্রি হবে কলকাতায়। শনিবার থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চাষিদের কাছ থেকে ১৩ টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনা শুরু হল। মাঠ থেকেই সরাসরি তরমুজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে তা সিঙ্গুরের তরমুজ হাব বা কলকাতায় পাঠানো হবে। কলকাতা ও শহরতলির বাজারে ওই তরমুজ বিক্রি হবে। সুফল বাংলা কর্মসূচির আওতায় তরমুজ কেনা হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। 

Advertisement

বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) তথা সুফল বাংলা কর্মসূচির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক রোহন লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, বর্তমানে ৭-৮ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে চাষিরা আমাদের জানিয়েছেন। আমরা সুফল বাংলা কর্মসূচির আওতায় চাষিদের কাছ থেকে খেতের তরমুজ সরাসরি ১৩ টাকা কেজি দরে কিনছি। খেত থেকে তোলার পর তরমুজ মাঠেই ওজন করা হবে। মাঠেই গাড়ি পৌঁছে যাবে। ফলে চাষিদের ঝক্কি অনেক কমে যাবে। চলতি মরশুমে জেলা থেকে প্রায় ১২০ মেট্রিক টন তরমুজ কেনা হবে।
তরমুজ চাষি সুকুমার ঘোষ, দেবদাস মণ্ডল বলেন, গ্রীষ্মকালে খুব কম সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ ফলে থাকে। উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমতে থাকে। বাজারের অভাবে ফড়েদের কাছে আমরা কম দামে তরমুজ বিক্রি করতে বাধ্য হই। প্রশাসন তরমুজ কেনার ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ায় আমরা উপকৃত হব।     
জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হীড়বাঁধ, ইন্দপুর ব্লক এলাকায় চাষিদের নিয়ে তৈরি একটি গোষ্ঠীর (এফপিসি) কাছ থেকে তরমুজ কেনা হয়। এরপর একদিন অন্তর জেলা থেকে তরমুজ একলপ্তে সংগ্রহ করা হবে। এভাবে আগামী দু’মাসে ১২০টন তরমুজ কেনা হবে। তবে চাষিদের আগ্রহ বেশি থাকলে ওই পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। তবে কোনও মাঠে গাড়ি নিয়ে গিয়ে তরমুজ সংগ্রহ করার জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসল থাকা প্রয়োজন। গাড়ি ভাড়া, শ্রমিকদের মজুরি সহ অন্যান্য খরচ যাতে পুষিয়ে যায়, তার জন্য আধিকারিকরা তরমুজের পরিমাণ বেশি রয়েছে, এমন এলাকা থেকে তা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) বলেন, মাটির সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় হীড়বাঁধ, ইন্দপুর ব্লক এলাকার চাষিদের তরমুজ চাষ, সংরক্ষণ সহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ওই দুই ব্লকের মাটি তরমুজ চাষের পক্ষে উপযুক্ত। ফলে সেখানে ভালো ফলন হয়। সেই কারণেই আমরা প্রাথমিকভাবে ওই দু’টি ব্লক এলাকাকে বেছে নিয়েছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ