


বিশ্বজিৎ মাইতি, বরানগর: নোংরা জলে প্রতিনিয়ত ভিজছে জামা-কাপড়। প্রতিদিন হাজার হাজার স্কুল পড়ুয়া, অফিস যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে ওই জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ভরা বসন্তেও দমদম স্টেশন লাগোয়া আন্ডার পাশের জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি নেই শহরবাসীর। ওই দমদম রোড দিয়ে প্রতিদিন বহু সরকারি আধিকারিকও যাতায়াত করেন। তারপরও সমস্যা সমাধানে কোনও হুঁশ নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সারা বছর কমবেশি জল থাকছে দমদম আন্ডার পাসের তলায়। বর্ষার সময় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। বাকি সময় দমদম স্টেশন, আশপাশের বাজার এলাকার নোংরা জল আন্ডারপাসের নিচু ড্রেনে জমে যায়। তবে বেশিরভাগ সময় নাগেরবাজারগামী লেন জল থাকত। তবে মাস খানেক এই লেন শুকনো। পাশের লেন অর্থাৎ নাগেরবাজার থেকে দমদম চিড়িয়া মোড় গামী লেন এখন জলের তলায়। গত একমাস ধরে এই লেনে জল থাকায় তীব্র ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কিছু জায়গায় আবার রাস্তা বেহাল। বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। ফলে ওই সব গর্তে বাইক ও গাড়ির চাকা পড়লে চার দিকে জল জল ছিটিয়ে পড়ছে। তাতে ভিজছেন বাইক, সাইকেল আরোহী ও পথচারীরা।
প্রতিদিন সকালে দমদম এলাকার একাধিক নামি স্কুলের কচিকাঁচা পড়ুয়াদের ওই জলের উপর দিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন অভিভাবকরা। ফলে অনেকেই বিপদের ঝুঁকি নিয়ে আন্ডারপাসের উল্টো দিকের লেন দিয়ে যাতায়াত করছেন। চিড়িয়ামোড় গামী অটো স্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তা কাদায় মাখামাখি। পথচারীরাও বিপাকে পড়ছেন। দমদম নিউ মার্কেটের এক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে ঢোকার মুখের রাস্তা জল-কাদায় মাখামাখি। ক্রেতারা সেসব মাড়িয়ে বাজারে ঢুকছে। সবাই দেখছে তারপরও কারোর কোনও হুঁশ নেই।
স্থানীয় কাউন্সিলার তথা দক্ষিণ দমদম পুরসভার সিআইসি মুনমুন চট্টোপাধ্যায় বলেন, রেল কোনও সহযোগিতা করছে না। একদিকের লেনের কাজ পুরসভা সম্পন্ন করেছে। আন্ডারপাসের ধারের ড্রেন পলি জমে ভরে গিয়েছে। তাই এই সমস্যা হচ্ছে। দোলের পর জল জমে থাকা লেনের কাজও করা হবে।