


সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার মেহমানপুর খালের উপর দিয়ে যাওয়া পানীয় জলের পাইপের ফাটল মেরামত করে জল ছাড়া হয়। কিন্তু পাইপ ফেটে ফের বিপর্যস্ত হয় পরিষেবা। যদিও আগের পাইপ পাল্টে নতুন পাইপ বসিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে জল দেওয়া হয়েছে। তবে জল সমস্যা মেটেনি। কারণ জলের প্রেসার অনেক কম। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খড়িবেড়িয়া এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালুঘাটে জল পৌঁছয়নি। ওই সব এলাকার মানুষ জল পাননি। চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মেহমানপুরে যেখানে লোহার ব্রিজের উপর ওই পাইপ বসানো ছিল। সেই ব্রিজ অনেক পুরনো। নতুন করে পাইপ বসানোর ফলে তার ভার নিতে পারছে না এই ব্রিজ। এই কারণে জলের চাপ বাড়াতে পারছে না কেএমডিএ। বাড়ালেই ব্রিজসহ পাইপের বড় ক্ষতি হবে। এই আশঙ্কা থেকেই এবার ওই ব্রিজ পাল্টে সেখানে নতুন ব্রিজ তৈরি করবে কেএমডিএ। সেই কাজ শুরু করেছে। তা সম্পূর্ণ হতে সাতদিন লাগবে। এই সময় পর্যন্ত জলের প্রেসার বাড়ানো যাবে না। যে সব ওয়ার্ডের শেষ সীমায় জল যাচ্ছে না। সেই সব জায়গায় পুরসভা জলের গাড়ি পাঠাবে। এদিনও পাঠিয়েছে। আগামী কয়েকদিন পাঠানো হবে। রবিবার পাইপ ফেটে যাওয়ার পর থেকে বজবজ পুরসভা এলাকায় জল সমস্যার শুরু। ওইদিন বিকেলে পাইপ মেরামত করে জল সরবরাহ করার পর ফের ফেটে যায়। তার জেরে রবিবার বিকেল এবং সোমবার সারাদিন জল বন্ধ ছিল। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নাগরিকদের জল কষ্টে ভুগতে হয়। মঙ্গলবার সকালেও তা অব্যাহত ছিল। বিকেলে জল এলেও চাপ ছিল অনেক কম। কেএমডিএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পাইপ বসানোর ব্রিজটি যতক্ষণ না নতুন করে তৈরি হচ্ছে, ততক্ষণ জলের প্রেসার বাড়ানো যাবে না।