Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

জলচুক্তি বাতিলই, বন্ধ থাকবে ব্যবসা

স্রেফ বিরতি। ‘অপারেশন সিন্দুরে’র। এই অভিযান চলবে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই বার্তা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রতিবেশী দেশ এবং গোটা বিশ্বের আঙিনায় পৌঁছে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

জলচুক্তি বাতিলই, বন্ধ থাকবে ব্যবসা
  • ১৩ মে, ২০২৫ ১৬:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্রেফ বিরতি। ‘অপারেশন সিন্দুরে’র। এই অভিযান চলবে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই বার্তা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় প্রতিবেশী দেশ এবং গোটা বিশ্বের আঙিনায় পৌঁছে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। রক্ত এবং জল একসঙ্গে বইতে পারে না।’ যুদ্ধবিরতির পর ৪৮ ঘণ্টা ধরে একটি প্রশ্ন আসমুদ্রহিমাচল ঘুরপাক খেয়েছে— তাহলে কি সিন্ধু জলচুক্তি কিংবা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মতো বন্ধ করে দেওয়া পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্কও স্বাভাবিক হবে? উত্তর দিলেন মোদি— না, হবে না। 

Advertisement

আরও আগ্রাসী হওয়াটাই যেখানে প্রত্যাশিত ছিল, সেখানে কেন হঠাৎ যুদ্ধবিরতি? পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই বা ভারত কতটা কঠোর অপারেশন চালাল? এই প্রশ্ন দেশবাসী করেছে। আর সেটা বুঝেই বিগত কয়েকদিনের সংযত বিবৃতির তুলনায় সোমবার সরকার হঠাৎ অনেক জোরালোভাবে প্রমাণ সহ যুদ্ধজয়ের দাবি করেছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা কেন সফল। ‘অপারেশন সিন্দুরে’র পরই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হয়েছিল ড্রোন ও মিসাইলের লড়াই। পাকিস্তান প্রথমে ভারতের ১৫টি শহরে এবং তারপর ২৬টি শহর তথা এয়ারবেসকে টার্গেট করেছিল ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে। সেনাবাহিনী এদিন স্পষ্ট জানিয়েছে, পাক সেনা এবং এয়ারফোর্সের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একের পর এক এয়ারফিল্ডে ভারতের মিসাইল আছড়ে পড়েছে। সোমবার সেনাবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে যে কোনও আক্রমণ প্রায় অসম্ভব। অত্যাধুনিক সমরসজ্জায় ভারতের সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র। বুধবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত পাকিস্তান সেটা টের পেয়েছে।’ সামরিক বাহিনীর দাবি, ভারতের অপারেশন সিন্দুর থেকে শুরু করে পরবর্তী অভিযান— প্রত্যেকটি সফল। সুতরাং এই স্বল্পকালীন সংঘাতে ভারতেরই জয় হয়েছে। ইসরোর পক্ষ থেকেও সোমবার জানানো হয়েছে, ভারতের ৩৪টি স্যাটেলাইট কোনও অংশে পিছিয়ে ছিল না। আর তাই ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে পাকিস্তানের সেনাঘাঁটিগুলি বিপর্যস্ত। রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ডিজিএমও স্তরের বৈঠকেও ব্যাকফুটে ছিল পাকিস্তান। দু’পক্ষই সেনা সরানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে। কিন্তু সামরিক বাহিনী ছাড়াও আর কোন ফ্যাক্টরকে প্রধানমন্ত্রী এদিন কৃতিত্ব দিয়েছেন? একতাকে। জাতিধর্ম নির্বিশেষে ভারতের শক্তিকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ