ঢাকা: আজ, সোমবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণা। তার আগে থমথমে বাংলাদেশ। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, খুলনা সহ দেশের বড়বড় শহর কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকেও (বিজিবি) পথে নামিয়েছে ইউনুস সরকার। রাজধানী ঢাকার প্রবেশ পথগুলিতে চলছে ব্যাপক তল্লাশি। ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার (মিডিয়া) মহম্মদ তালিবুর রহমান বলেন, রায় ঘিরে কোনওরকম অশান্তি এড়াতে রাজধানীতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহরজুড়ে টহল চলছে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে সাইবার ইউনিট। এদিন দেশজুড়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এর ডাক দিয়েছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। দলের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বেআইনি আদালতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিচারের নামে নাটক চলছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ চলছে সর্বত্র।’
গত বছরের জুলাই-আগস্টে গণ আন্দোলনের সময় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি নিয়ে হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের হয়েছে। শুধু তিনি নন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের প্রাক্তন আইজি আবদুল্লা আল মামুনের বিরুদ্ধেও একই মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় মামুন রাজসাক্ষী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর হাসিনার বিচারের জন্য গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবিউনাল। তাঁর মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন ট্রাইবিউনালের আইনজীবীরা। রবিবার ট্রাইবিউনালের আইনজীবী গাজি মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, রায়ের যে অংশটুকু বিচারপতিরা পড়ে শোনাবেন সেটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এব্যাপারে অবশ্যই অনুমতি লাগবে। এদিকে রবিবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন শহরে যানবাহনে আগুন ও বোমা বিস্ফোরণের খবরও পাওয়া গিয়েছে। তবে এনিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।