Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বৈষ্ণোদেবী বিপর্যয়: ওমরের নিশানায় লেফটেন্যান্ট গর্ভনর, ‘দুর্যোগের পূর্বাভাস সত্ত্বেও কেন অনুমতি?’

বৈষ্ণোদেবী যাত্রার মধ্যে বৃষ্টি-ধসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। জখম আরও অনেকে। বেশ কয়েকজনের খোঁজও মিলছে না। এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ের জন্য ঘুরিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গর্ভনর মনোজ সিনহাকেই দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

বৈষ্ণোদেবী বিপর্যয়: ওমরের নিশানায় লেফটেন্যান্ট গর্ভনর, ‘দুর্যোগের পূর্বাভাস সত্ত্বেও কেন অনুমতি?’
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৮
Prefer us on Google

শ্রীনগর: বৈষ্ণোদেবী যাত্রার মধ্যে বৃষ্টি-ধসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। জখম আরও অনেকে। বেশ কয়েকজনের খোঁজও মিলছে না। এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ের জন্য ঘুরিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গর্ভনর মনোজ সিনহাকেই দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তাঁর প্রশ্ন, দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। তা সত্ত্বেও কেন শ্রী মাতা  বৈষ্ণোদেবী মন্দির বোর্ড যাত্রা অব্যাহত রেখেছিল? এই বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন স্বয়ং লেফটেন্যান্ট গর্ভনরই। সতর্কতা সত্ত্বেও যাত্রা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তকে ‘মর্মান্তিক পদক্ষেপ’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বেশ কয়েকদিন আগেই খারাপ আবহাওয়ার খবর মিলেছিল। ফলে প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই মৃত্যুমিছিল ঠেকানো যেত। এরপরই একঝাঁক প্রশ্ন তুলেছেন ওমর। তাঁর কথায়, কেন ট্রেক করতে দেওয়া হয়েছিল? কেন পুণ্যার্থীদের আটকে দেওয়া হল না? কেন তাঁদের সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে দেওয়া হল না? 

Advertisement

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বৃহস্পতিবারও বিপর্যস্ত জম্মু ও কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। যদিও  বিগত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির প্রকোপ বেশ খানিকটা কমেছে। ফলে একাধিক নদীর জলস্তর বিপদসীমার নিচে নেমেছে। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের জেলার সঙ্গমে ঝিলমের জলস্তর কমেছে। তবে শ্রীনগরে নিম্ন অবিবাহিকায় তা বিপদসীমার উপরেই রয়েছে।এরইমধ্যে বন্যা দুর্গত নিচু এলাকায় উদ্ধারকাজে জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে, স্বাস্থ্য, পানীয় জল, বিদ্যুত্ ও রেশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুতের মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলি দ্রুত স্বাভাবিক করার কথাও বলেছেন তিনি। ধস, বৃষ্টিতে একাধিক রাস্তা ও সেতু ভেঙে পড়েছে। ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলিতে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে এদিন পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সেনা, জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। এরমধ্যে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ