Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ওয়ালমার্ট-আমাজনের জন্য দরজা খুলতে ভারতকে চাপ আমেরিকার

পাল্টা শুল্কবাণে লক্ষ্যভেদে তৎপর আমেরিকা। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারত সফররত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স।

ওয়ালমার্ট-আমাজনের জন্য দরজা  খুলতে ভারতকে চাপ আমেরিকার
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ ১৫:০৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পাল্টা শুল্কবাণে লক্ষ্যভেদে তৎপর আমেরিকা। সোমবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারত সফররত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। মঙ্গলবার দু’দেশের প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি শর্তাবলি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেপুটি। এরইমধ্যে জানা গিয়েছে,  ভারতের ই-কমার্স বাজারের দরজা আমাজন ও ওয়ালমার্টের মতো মার্কিন অনলাইন খুচরো বিক্রয়কারী সংস্থাগুলির জন্য পুরোপুরি খুলতে মরিয়া ট্রাম্প প্রশাসন। এজন্য দিল্লির উপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। বিভিন্ন সূত্র উদ্ধৃত করে একথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আলোচনায় ভারতের ১২৫ বিলিয়ন ডলারের ই-কমার্স ক্ষেত্রে সমান সুযোগ দিতে মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

Advertisement

আমাজন ও ওয়ালমার্ট এখনও ভারতে ব্যবসা করে। তবে স্থানীয় ইউনিটের মাধ্যমে ব্যবসা করতে হয় তাদের। ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, ওই কোম্পানিগুলি মার্কেটপ্লেস হিসেবে কাজ করতে পারে। এর অর্থ তাদের অন্যদের পণ্য বিক্রি করতে হয়। রিলায়েন্সের মতো ভারতীয় সংস্থাগুলি বিপনি বা বিশাল খুচরো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যায়। সেই সুবিধা আমাজন, ওয়ালমার্ট পায় না। আমেরিকা চাইছে, এই বিধিনিষেধ উঠে যাক। এরইমধ্যে জানা গিয়েছে, ওয়ালমার্টের ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্ট  তাদের ডোমিসাইল সিঙ্গাপুর থেকে ভারতে স্থানান্তর করবে। মঙ্গলবার সংস্থার পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। ভারতে শেয়ার বাজারে কোম্পানির নথিভূক্ত হওয়ার জন্য এটি একটি পদক্ষেপ বলে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে ফ্লিপকার্টের সদরদপ্তর সিঙ্গাপুরে। 
এদিন মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি আলোচনার শর্তাবলি সংক্রান্ত রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে। একই কথা বলেছেন ভান্সও। মঙ্গলবার রাজস্থানের জয়পুরে আমের ফোর্ট ঘুরে দেখেন তিনি। পাশাপাশি একটি অনুষ্ঠানে ভান্স বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সচ্ছ্বতা ও পারস্পরিক জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক অংশীদার চাইছে আমেরিকা। তিনি বলেন, একে অপরের অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে দুই দেশের সরকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান, স্থায়ী সাপ্লাই চেন ও শ্রমিকদের হিতের মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মোদির সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়গুলিতে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ