Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

৪ বার ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ধরেননি প্রধানমন্ত্রী! সংঘাতের মাঝে চাঞ্চল্যকর দাবি জার্মান সংবাদপত্রের

ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকেই নানা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক বসিয়েছেন ট্রাম্প।

৪ বার ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ধরেননি প্রধানমন্ত্রী! সংঘাতের মাঝে চাঞ্চল্যকর দাবি জার্মান সংবাদপত্রের
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকেই নানা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক বসিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও এই চাপের কাছে নতিস্বীকার করা হবে না বলে বার্তা দিয়েছে ভারত। ভারত-মার্কিন এহেন সংঘাতের মধ্যে চাঞ্চল্যকর দাবি একটি জার্মান সংবাদপত্রের। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে চারবার ট্রাম্প ফোন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। কিন্তু একবারও মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোন ধরেননি মোদি। এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট, ট্রাম্পের আচরণে মোদি অত্যন্ত রুষ্ট এবং একইসঙ্গে সাবধানীও। এমনই মন্তব্য করা হয়েছে ফ্রাঙ্কফার্ট অ্যালজিমেইন নামে ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে। 

Advertisement

জার্মান সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, গত ১০ আগস্ট ট্রাম্প ভারতকে মৃত অর্থনীতির দেশ বলেছিলেন। তাঁর এই মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে নেননি মোদি। এরপরই ওই প্রসঙ্গের উল্লেখ না করেই মোদি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে ওঠার পথে এগচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন বাজারের উপর বিভিন্ন দেশের উপর নির্ভরতার বিষয়টিই কাজে লাগিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও ট্রাম্পের প্রথম দফার মেয়াদে এই প্রবণতায় রাশ টেনেছিলেন মোদি। তবে এবার বেশ কিছুটা চড়া সুরে কথা বলছেন ট্রাম্প। কিন্তু মোদি তাতে পিছপা হতে নারাজ। এরপরও মোদির সঙ্গে বোঝাপড়ায় আসতে বারবার চেষ্টা চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেজন্যই বারবার ফোন করেছেন তিনি। কারণ হিসেবে সংবাদপত্রটির ব্যাখ্যা,  ট্রাম্প একাধিকবার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত হওয়ার আগে নিজেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়েছেন। কিন্তু মোদি ট্রাম্পের এই ফাঁদে পা দেননি। একইসঙ্গে চীনের আধিপত্য মোকাবিলায় মার্কিন কৌশলে ভারত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। সেই কৌশল ভেস্তে গেলে তা আমেরিকার স্বার্থের পরিপন্থী হতে পারে বলে টের পেয়েছেন ট্রাম্প।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ