Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

মার্কিন কারখানায় হানা, ধৃত ৪৭৫

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার জর্জিয়ায় হুন্ডাই-এলজির কারখানায় হানা দিলেন অভিবাসন আধিকারিকরা। কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মার্কিন কারখানায় হানা, ধৃত ৪৭৫
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিউ ইয়র্ক: দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার জর্জিয়ায় হুন্ডাই-এলজির কারখানায় হানা দিলেন অভিবাসন আধিকারিকরা। কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে অধিকাংশই (তিনশোর বেশি) দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। জানা গিয়েছে, তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সম্প্রতি সিওলের পণ্যের উপর শুল্ক চাপিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দু’দেশের সম্পর্কে চিড় ধরেছে। থমকে রয়েছে ৩৫ হাজার কোটি ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি। এই পরিস্থিতিতে কারখানায় হানা দু’দেশের টানাপোড়েন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনায় উদ্বেগের বিষয়টি সিওলের মার্কিন দূতাবাসকে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। একইসঙ্গে ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা দিয়েছে সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক। মুখপাত্র লি জে-উং বলেন, ‘আইনের অছিলায় আমাদের বিনিয়োগকারী ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার অন্যায়ভাবে কেড়ে নিতে পারে না মার্কিন প্রশাসন।’ 

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে এলাবেলের ওই নির্মীয়মাণ কারখানায় আচমকা হানা দেয় মার্কিন আধিকারিকদের বিশাল টিম। জানা গিয়েছে, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি তৈরির ওই কারখানার নির্মান কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয় শ্রমিকদের। তারপর শ্রমিকদের দেওয়ালে ও বাসের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড় করিয়ে তাঁদের পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখেন আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের পর ‘বৈধ’ শ্রমিকদের কারখানা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। 
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের বিশেষ এজেন্ট স্টিভেন স্ক্র্যাঙ্ক বলেন, ‘ধৃতদের মধ্যে অনেকেই সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে এদেশে প্রবেশ করেছেন। কেউ কেউ ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও থেকে গিয়েছেন। স্ক্র্যাঙ্ক বলেন, ‘জর্জিয়া ও আমেরিকার মানুষদের কাজ বাঁচাতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই অভিযান তারই উদাহরণ।’

সম্পর্কিত সংবাদ