


নিউইয়র্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘উদ্বেগজনকভাবে’ কমছে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র। মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে ৮৫০টিরও বেশি টোমাহক মিসাইল ব্যবহার করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী । এর জেরে উদ্বেগে পেন্টাগন। কারণ একটি টোমাহক মিসাইল তৈরি করতে প্রায় দু’বছর সময় লাগে। এর খরচ প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন ডলার। অথচ গত বছরের বাজেটে মাত্র ৫৭টি মিসাইল তৈরির অনুমোদন ছিল। ফলে এত দ্রুত মিসাইল ব্যবহারের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার মজুত টোমাহক মিসাইল ‘উদ্বেগজনকভাবে’ কমে গিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই হারে ব্যবহার চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই ওই অঞ্চলে মিসাইল ফুরিয়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন এখন ভাবছে, বিশ্বের অন্য অঞ্চল থেকে মিসাইল এনে ঘাটতি পূরণ করা হবে। পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানোর কথাও চিন্তা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে মার্কিন সেনার অস্ত্রভান্ডারে প্রায় ৩ হাজার ১০০ টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তার মধ্যে ইতিমধ্যে ৮৫০টি ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সেনা। এ জন্যই উদ্বেগে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর। যদিও মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে কোনো সংকটের কথা মানতে নারাজ। পেন্টাগনের মুখপাত্র শান পার্নেলদাবি করেছেন, যে কোনো সময় ও যে কোনো জায়গায় অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন সেনার কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিটও একই কথা জানিয়েছেন।
এই সামরিক উদ্বেগের মাঝে সাইবার ক্ষেত্রেও বিপাকে পড়েছে আমেরিকা। ইরান ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা ‘হান্ডালা হ্যাক টিম’ সদ্য জানিয়েছে তারা এফবিআই প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে। হ্যাকার প্যাটেলের বেশ কিছু ছবি অনলাইনে প্রকাশ করেছে। যদিও সংবাদ সংস্থার রয়টার্স জানিয়েছে, এই তথ্য পুরোপুরি যাচাই করা যায়নি। এদিকে মার্কিন বিচার বিভাগের এক আধিকারিক ইমেল হ্যাক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এফবিআইয়ের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।