Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উচ্চ প্রাথমিক: ১২৪১ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় চাইল দপ্তর

উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ১২৪১ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের কাছে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় চেয়েছে শিক্ষাদপ্তর।

উচ্চ প্রাথমিক: ১২৪১ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় চাইল দপ্তর
  • ১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ১২৪১ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের কাছে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় চেয়েছে শিক্ষাদপ্তর। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়ে আদালত অবমাননার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। ওইদিন শিক্ষাদপ্তরের প্রধান সচিব বিনোদ কুমার, স্কুলশিক্ষা কমিশনার কৌশিক সাহা এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শুনানিতে যুক্ত হবেন। ৩০ মার্চও তাঁরা এভাবে যুক্ত হয়েছিলেন।

Advertisement

আট দফা কাউন্সেলিংয়ের পরে ১২৪১ জন প্রার্থী পড়ে রয়েছেন উচ্চ প্রাথমিকে। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও এই প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়নি শিক্ষাদপ্তর। তাদের যুক্তি ছিল, ম্যাচিং ভেকেন্সি অর্থাৎ শূন্যপদের বিষয়, ভাষামাধ্যম, লিঙ্গ, সংরক্ষণের ক্যাটিগরি প্রভৃতির সঙ্গে প্রার্থীদের বৈশিষ্ট্য না  মেলায় তাঁদের নিয়োগ করা সম্ভব নয়। বিচারপতি অবশ্য বারবার বলেছেন, নিয়োগবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না-হলেও আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতে এই নিয়োগ দিতে পারে শিক্ষাদপ্তর। ভবিষ্যতে এর জন্য সরকারকে কোনো আইনি ঝঞ্ঝাটে পড়তে হবে না। তাতেও শিক্ষাদপ্তর পদক্ষেপ না করায় আদালত অবমাননার মুখে পড়ে। সেটারই শুনানি ছিল ৩০ মার্চ, সোমবার। এদিনও বিচারপতিরা বারবার একথা বলেছেন। প্রসঙ্গত, প্রায় ১০ বছর ধরে এই নিয়োগ ঝুলে রয়েছে আইনি জটিলতায়। ৮-৯ হাজার নিয়োগ হয়ে গেলেও বাকি রয়ে গিয়েছেন এই ১২৪১ জন। মামলাকারী প্রার্থীদের তরফে আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের সভাপতি সুশান্ত সোম বলেন, ‘পড়ে থাকা পাঁচ হাজারেরও বেশি শূন্যপদে না হয় ম্যাচিং ভেকেন্সি নেই। তবে, শিক্ষাদপ্তর ডিআইদের কাছ থেকে আরো শূন্যপদ নিয়েছিল। তবে সেগুলি শিক্ষাদপ্তরের সচিব স্তরে অনুমোদন পায়নি। কেন এভাবে আমাদের নিয়োগের বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে, জানি না।’

সম্পর্কিত সংবাদ