নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বিষ ‘নবান্ন চলো’তে ভিড় জমিয়েছিলেন হাতে গোনা বিজেপি নেতা-কর্মীরা। রানি রাসমণি অ্যাভেনিউ থেকে কয়েকজন নেতা পার্ক স্ট্রিট অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। সেখানেই পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ঝামেলা হয় হাওড়াতেও। অশান্তির ঘটনায় নিউ মার্কেট থানায় পুলিসকে খুনের চেষ্টা, মারধরসহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় বিজেপির একাধিক নেতা-কর্মীর নামে মামলা রুজু হয়েছে।
কলকাতা পুলিস মোট ৭টি মামলা রুজু করেছে। অন্যদিকে হাওড়া পুলিস দু’টি মামলা করেছে। নিউ মার্কেট এলাকায় সাউথ সাবার্বান ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারের দেহরক্ষীকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। রবিবার এসএসকেএম হাসপাতালে সেই কনসটেবলকে দেখতে যান কলকাতা পুলিসের কমিশনার মনোজ ভার্মা। হাসপাতালের বাইরে সিপি বলেন, ‘নির্যাতিতার মায়ের মাথায় আঘাত দুঃখজনক ঘটনা। এটা হওয়া উচিত নয়। কীভাবে আঘাত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ এলেও তদন্ত কার হবে, না হলেও আমরা তদন্ত করে দেখছি। ফুটেজ যতক্ষণ দেখা না হচ্ছে, আমরা বলতে পারব না।’ তিনি আরও জানিয়ে দেন, ‘শনিবারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। যারা মারধর করেছে পুলিসকে এবং আদালত অবমাননা করেছে, তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ দেশের পতাকা অবমাননার অভিযোগ প্রসঙ্গে সিপি বলেন, ‘পুলিস সেইসময় অ্যাকশনে ছিল কি না দেখতে হবে।’অন্যদিকে, অভয়ার মা একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে কোনও সমস্যা হয়নি রোগীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে, অভয়ার বাবা হোয়াটসঅ্যাপ করেছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে। নবান্ন অভিযানের সময় যে ভিডিও কুণাল পোস্ট করেছিলেন, সেটি দেওয়ার আর্জি জানান তিনি। সেইমতো তা দিয়েও দেন কুণাল।