Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উদয়নারায়ণপুর: রুপোর বদলে স্বর্ণমুদ্রা, ভাগ্য ফেরার পর দুর্গাপুজো শুরু দোয়ারী পরিবারে

হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর। এই বিধানসভা এলাকার যে ক’টি প্রাচীন পারিবারিক পুজো আছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল, কল্যাণচক দোয়ারী পরিবারের দুর্গাপুজো।

উদয়নারায়ণপুর: রুপোর বদলে স্বর্ণমুদ্রা, ভাগ্য ফেরার পর দুর্গাপুজো শুরু দোয়ারী পরিবারে
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর। এই বিধানসভা এলাকার যে ক’টি প্রাচীন পারিবারিক পুজো আছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হল, কল্যাণচক দোয়ারী পরিবারের দুর্গাপুজো। তিনশো বছর প্রাচীন এই পারিবারিক পুজো এখনও প্রাচীনত্ব বহন করছে। জানা গিয়েছে, মদনমোহন দোয়ারী ছিলেন একজন রেশম ব্যবসায়ী। তিনি রেশম চাষ করে সেই রেশম ইংরেজ ও মহাজনদের বিক্রি করে মুদ্রা উপার্জন করতেন। একবার রেশম বিক্রি করে তাঁর কাছে এক বস্তা রুপোর মুদ্রার জায়গায় সোনার মুদ্রা চলে আসে। তিনি সেই সোনার মুদ্রা সাহেবদের কাছে ফেরত দিতে যান। যদিও সাহেবরা ওঁর সততা ও নির্লোভ মানসিকতা দেখে বলেন, এটি আপনার ভাগ্যে ছিল তাই ওই মুদ্রা আপনার। আপনি নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি সোনার মুদ্রা দিয়ে ব্যবসা করে উন্নতি করেন। ধীরে ধীরে ওই এলাকায় জমি কিনে জমিদারি লাভ করেন। মদনমোহন দোয়ারী ধার্মিক মানুষ ছিলেন। ১১০৯ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। সেইসময় হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, সবকিছু ছিল। ধুমধাম করে পুজো হতো। পরিবারের সদস্য মঞ্জুলা দোয়ারী জানান, পঞ্জিকা মতে নিয়ম নিষ্ঠা সহকারে আমাদের বাড়িতে পুজো হয়। জন্মাষ্ঠমীর দিন একাচালা কাঠামোয় মাটি দেওয়া হয়। পরে ধীরে ধীরে প্রতিমা তৈরি হয়। পুজোর দিনগুলি মাকে নানা ভোগ দেওয়া হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজো। আগে বলি প্রথা চালু থাকলেও এখন তা বন্ধ। দশমীতে সিঁদুর খেলা। বাড়ির পুকুরে বিসর্জনের পর রাতে অন্নকূট হয়। দশমীর দিন আমরা সবথেকে দামি শাড়ি পরি।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ