নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে চতুর্থবারের জন্য বাংলায় সরকার গড়তে চলেছে তৃণমূল। প্রত্যয়ী সুর তৃণমূল নেতৃত্বের গলায়। ঐতিহাসিক ১৩ মে’র দিন জোড়াফুল শিবিরের পক্ষ থেকে আওয়াজ তোলা হল, ‘আগামীর দিনও দিচ্ছে ডাক, অগ্নিকন্যার সাথেই বাংলা সুরক্ষিত থাক’।
২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএমকে পরাজিত করে বাংলায় ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। সেবার ফল প্রকাশ হয়েছিল ১৩ মে। তা বাংলায় পরিবর্তনে দিন হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে তৃণমূল। দীর্ঘ ১৪ বছরের এই যাত্রাপথে পরপর তিনবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পরিধি আরও বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই মঙ্গলবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে লেখা হয়েছে, জনতার রায়েই শুধু নয়। জনতার হৃদয়ে রাজত্ব করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা জনতার রায়ে ফের মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতাই। জনাদেশে বাংলায় তৃণমূল এক নম্বর স্থানে আছে, সেখানেই আগামী দিনও থাকবে। সেখানে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ স্থান দখলের জন্য লড়াই করছে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ পুরোদমে চলছে তৃণমূলের। কিছুদিনের মধ্যে ২১ জুলাই শহিদ দিবসের প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। রাজনৈতিক দিক থেকে এবারের ২১ জুলাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে এটাই শেষ ২১ জুলাই। পরের ২১ জুলাই হবে ভোটের ফল প্রকাশের পর। ফলে মনে করা হচ্ছে, এবারের ২১ জুলাই থেকে ভোটের রণডঙ্কা বাজিয়ে দেবেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ২১৫-র বেশি আসনে জয়ের টার্গেট আগেই ঘোষণা করেছে তৃণমূল। লক্ষ্যপূরণে একগুচ্ছ পদক্ষেপ ২১ জুলাই জানান দেবেন মমতা, অভিষেক।