Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চতুর্থবার ভোটের যুদ্ধে তৃণমূলের ভূমিপুত্র, জয়ের ব্যবধান নিয়ে চর্চা

২০১১ সাল থেকে মন্দিরবাজারের জোড়াফুলের বিধায়ক জয়দেব হালদার। চতুর্থবার আবার তিনিই লড়াইয়ে। এবারে তাঁর জয়ের ব্যাবধান কত হবে, সেই নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চলছে চর্চা।

চতুর্থবার ভোটের যুদ্ধে তৃণমূলের  ভূমিপুত্র, জয়ের ব্যবধান নিয়ে চর্চা
  • ২৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: ২০১১ সাল থেকে মন্দিরবাজারের জোড়াফুলের বিধায়ক জয়দেব হালদার। চতুর্থবার আবার তিনিই লড়াইয়ে। এবারে তাঁর জয়ের ব্যাবধান কত হবে, সেই নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চলছে চর্চা। অন্যদিকে, এই কেন্দ্রে পদ্মফুলের এবার নতুন মুখ। এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা মল্লিকা পাইক তাঁদের প্রার্থী। এলাকার পরিবহণ ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরাতে তিনি প্রচারে নেমেছেন। তবে এই কেন্দ্রে এখনও আইএসএফ প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি।

Advertisement

মন্দিরবাজার এককালে সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে জোড়াফুল ফোটে এই কেন্দ্রে। বিধায়ক হন কেচারকুড় গ্রামের ছেলে জয়দেব হালদার। জয়দেব এর আগে কেচারকুড় পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন। এলাকায় জনপ্ৰিয় বিধায়ক হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ২০১১ সালে ১৮ হাজার ৬৪১ ভোটে তিনি জয়ী হয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ভোটে সেই ব্যবধান বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৯৩৯। ২০২১ সালে মার্জিন আরও বেড়ে হয় ২৫ হাজার ৪৯২। চতুর্থবার ভোট লড়াইয়ে জয়দেববাবু এখনও পর্যন্ত কর্মী বৈঠকই করছেন। তিনি বলেন, আমি সারাজীবন মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করি। অর্ধসমাপ্ত উন্নয়নের কাজ শেষ করার লক্ষ্য আছে। মহিলাদের আত্মনির্ভর করার পাশাপাশি এলাকায় পরিবহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরও উন্নতি করতে হবে।
অন্যদিকে, বিজেপির প্রার্থী মল্লিকা পাইকের বাড়ি ঘাটেশ্বর পঞ্চায়েতের ধোপারহাটে। ওই এলাকায় এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা তিনি। ভোট যুদ্ধে এবারই নতুন প্রার্থী হয়ে মল্লিকাদেবী বলেন, আমার পরিবার বরাবর বিজেপির সমর্থক। সেদিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমি সংসারের কাজ সামলে প্রচারে যাচ্ছি। মানুষের সাড়াও পাচ্ছি। মানুষের কাছ থেকে এলাকার সমস্যার কথা জানতেও পারছি। তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে দু’টি হাসপাতালের অবস্থাই বেহাল। পরিবহণে ট্রেন ভরসা। অনেক স্কুল বন্ধ। আমি এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই। অন্যদিকে, সিপিএমের এক কর্মী বলেন, এই কেন্দ্রে গতবার আইএসএফের প্রার্থী ছিলেন। এবারও তাই দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও তা না দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ