Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তৃণমূল শিক্ষা সেলের নয়া কমিটি, আগে বহিষ্কৃত মইদুল-প্রীতমরাই দায়িত্বে

অবশেষে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা সেলের সভাপতি সহ পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল তৃণমূল। দলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি থেকে শনিবার কমিটির সদস্যদের নাম জানানো হয়েছে। আর তাতেই রয়েছে চমক।

তৃণমূল শিক্ষা সেলের নয়া কমিটি,  আগে বহিষ্কৃত মইদুল-প্রীতমরাই দায়িত্বে
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা সেলের সভাপতি সহ পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল তৃণমূল। দলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি থেকে শনিবার কমিটির সদস্যদের নাম জানানো হয়েছে। আর তাতেই রয়েছে চমক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ডায়মন্ডহারবারের শিক্ষক মইদুল ইসলামকে প্রাথমিক শিক্ষা সেলের সভাপতি করা হয়েছে। এর আগে সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন তিনি। মাধ্যমিক শিক্ষা সেলের দায়িত্বে এসেছেন প্রীতম হালদার। আগে এই সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। প্রথমে তিনি সংগঠনের সভাপতি এবং পরে কার্যকরী সভাপতি হন। পরে দলবিরোধী কাজের জন্য তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও বহিষ্কারের পদ্ধতি নিয়ে সেই সময় প্রশ্ন উঠেছিল। তালিকা থেকেই স্পষ্ট, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু নয়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের আস্থাভাজনরাই দায়িত্বে এসেছেন। প্রাথমিকে সভাপতি ছাড়াও রয়েছেন ছ’জন রাজ্য সহ-সভাপতি এবং ২০ জন রাজ্য সম্পাদক। এছাড়া প্রতি জেলায় আলাদা সভাপতি রয়েছেন। মাধ্যমিকে সহ-সভাপতির সংখ্যা চার। আর সম্পাদক রয়েছেন ১৬ জন। এর পাশাপাশি রয়েছেন জেলা, মহকুমা এমনকি বড় জেলার ক্ষেত্রে লোকসভা ভিত্তিক সভাপতিরা। যেভাবে তৃণমূলের ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে আগের কমিটি বাতিল করা হয়েছিল, সেভাবেই নতুন কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এর আগের কমিটিগুলি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ঘোষণা করেছিলেন তাঁর এক্স হ্যান্ডেল থেকে। এই বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বের শক্তিশালী একটি অংশ ভালোভাবে নেয়নি বলেই খবর। এদিন অবশ্য অধ্যাপক সংগঠন ‘ওয়েবকুপা’র কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। সেই সংগঠনেও আগে সহ-সভাপতি ছিলেন মণিশঙ্কর মণ্ডল। পরে একইভাবে দলবিরোধী কাজের কারণে বহিষ্কৃত হন। তাঁকেই আবার ওই পদে ফিরিয়ে আনা হয় কি না এবং শিক্ষামন্ত্রীকে ‘ওয়েবকুপা’র মাথায় রাখা হয় কি না, সেটাই এখন দেখার। সভাপতি হিসেবে এক অধ্যাপিকার নামও তৃণমূলের অন্দর মুখে মুখে ঘুরছে। তবে এই নয়া কমিটি ঘোষণার অন্য একটি দিকও রয়েছে। এর আগে এগুলি সম্পূর্ণ সংগঠন হিসেবে পরিচালিত হতো। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এবং পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নাম ছিল দু’টি সংগঠনের। এই কমিটিতে সেগুলির জায়গায় শিক্ষা সেল লেখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আলাদাভাবে সংগঠনগুলির আর অস্তিত্ব থাকছে না? প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে দলের শিক্ষা সেলের চেয়ারম্যান করে এই সংগঠনগুলি তৈরি করেছিল তৃণমূল।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ