Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আগামী বছর রাজ্যে শুরু হতে পারে ‘কোল্ড বাজি’ উত্পাদনের প্রশিক্ষণ, এবার বসবে ১৬৮টি বাজার

রাজ্যে কোল্ড বাজি উত্পাদনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। কারণ বিয়ের অনুষ্ঠান, খেলার মাঠ, অনুষ্ঠান মঞ্চে কোল্ড বাজির ব্যবহার বাড়ছে। শুক্রবারে কলকাতার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে অল বেঙ্গল তৃণমূল গ্রিন ফায়ার ক্র্যাকারস ম্যানুফ্যাকচারিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুকদেব নস্কর বলেন, ‘আমরা নাগপুরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি।

আগামী বছর রাজ্যে শুরু হতে পারে ‘কোল্ড বাজি’ উত্পাদনের প্রশিক্ষণ, এবার বসবে ১৬৮টি বাজার
  • ৩০ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে কোল্ড বাজি উত্পাদনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। কারণ বিয়ের অনুষ্ঠান, খেলার মাঠ, অনুষ্ঠান মঞ্চে কোল্ড বাজির ব্যবহার বাড়ছে। শুক্রবারে কলকাতার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে অল বেঙ্গল তৃণমূল গ্রিন ফায়ার ক্র্যাকারস ম্যানুফ্যাকচারিং ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুকদেব নস্কর বলেন, ‘আমরা নাগপুরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা রাজ্যের এমএসএমই-র সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে কোল্ড বাজি নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন। সেখানে ব্রিটেন-জার্মানি থেকেও বিশেষজ্ঞরা আসবেন। সব ঠিক থাকলে আগামী বছর জানুয়ারি মাসে এই প্রশিক্ষণ হবে।’ এই কোল্ড বাজি বাড়ির ভিতর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। শুকদেববাবুর বক্তব্য, ‘এখন সাধারণত এগুলি চীন থেকে নিয়ে আসা হয়। যা সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব।’ ইউনিয়নের তরফে সকল বৈধ উত্পাদনকারীদের দ্রুত লাইসেন্স দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি ইউনিয়নের তরফে আতশবাজি সংগঠনের বাবলা রায়ের বিরুদ্ধে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও বাবলাবাবু সমস্ত অভিযোগ নস্যাত্ করেছেন। 

Advertisement

এবছর রাজ্যে ১৬৮টি পরিবেশ বান্ধব বাজি বাজার বসবে। ৩৮টি ছোট ও ১৩০টি বড় বাজারের আয়োজন করা হবে। শুক্রবার বাজি ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। বাজার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স আগামী ১০ দিনের মধ্যে দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কালীপুজোর আগে বাজি বাজার নিয়ে কোনওরকম সমস্যা তৈরি না হয় সে দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যে পাঁচটি পরিবেশ বান্ধব বাজি ক্লাস্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে দুটি মেদিনীপুরে, একটি করে শিলিগুড়ি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হাওড়ায়। পাঁচটি প্রকল্পের জন্য মোট ৪০ কোটি টাকা খরচ করবে রাজ্য। এছাড়াও রাজ্যস্তরের একটি বাজি হাবও তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তার জন্য জমি চিহ্নিতকরণের কাজও চলছে জোর কদমে।

সম্পর্কিত সংবাদ