Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে নিহত শীর্ষ মাওবাদী নেতা সহ ৫

ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমনে ফের সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। মঙ্গলবার দান্তেওয়াড়া ও বিজাপুর জেলার সীমানা সংলগ্ন এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত পাঁচ মাওবাদী।

ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে নিহত শীর্ষ মাওবাদী নেতা সহ ৫
  • ২৬ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, রায়পুর: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমনে ফের সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। মঙ্গলবার দান্তেওয়াড়া ও বিজাপুর জেলার সীমানা সংলগ্ন এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত পাঁচ মাওবাদী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মাওবাদীদের অন্যতম শীর্ষ নেতা সুধীর ওরফে সুধাকর বা মুরলী। তেলেঙ্গানার ওয়ারাঙ্গলের এই বাসিন্দা ছিলেন মাওবাদীদের দণ্ডকারণ্য স্পেশ্যাল জোনাল কমিটির সক্রিয় সদস্য। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। 

Advertisement

পুলিস জানিয়েছে, গোপন সূত্রে দুই জেলার সীমানা এলাকার ওসপরী জঙ্গলে মাওবাদীদের গতিবিধির খবর পেয়ে তল্লাশি অভিযানে নামে বাহিনী। সকাল আটটা নাগাদ দু’পক্ষের গুলির লড়াই শুরু হয়। সংঘর্ষের পর এলাকা থেকে পাঁচ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি ইনসাস রাইফেল, একটি ৩০৩ রাইফেল ও বিস্ফোরক সামগ্রী এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। 
উল্লেখ্য,  মাওবাদীদের ‘রেড করিডোরের রাজধানী’ হিসাবে পরিচিত দণ্ডকারণ্য। কিন্তু বাহিনীর লাগাতার তৎপরতার জেরে সেখানে মাওবাদীদের ক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। গত ১৩ মাসে ৩৮০ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা করা হয়েছে।  গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১১৯৪ জন মাও সদস্য।  আত্মসমর্পনন করেছেন ১০৪৫ জন। ছত্তিশগড় পুলিস ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে বস্তারকে মাওবাদী-মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১১৬ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার  বিজাপুর ও কাঙ্কের জেলায় দু’টি পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন মাওবাদী প্রাণ হারায়। পাল্টা হামলায় মৃত্যু হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর এক সদস্যেরও।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ