Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ভোট দিতে গিয়েছেন হাজার হাজার সাফাইকর্মী, তীব্র সমস্যা লখনউতে

পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিধানসভা নির্বাচন। তার জেরে লখনউয়ে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কারণ, উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহরে সাফাইয়ের কাজে যুক্তদের অনেকেই বাংলা ও অসমের বাসিন্দা।

ভোট দিতে গিয়েছেন হাজার হাজার সাফাইকর্মী, তীব্র সমস্যা লখনউতে
  • ১০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বিধানসভা নির্বাচন। তার জেরে লখনউয়ে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কারণ, উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহরে সাফাইয়ের কাজে যুক্তদের অনেকেই বাংলা ও অসমের বাসিন্দা। বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে তাঁদের বেশিরভাগই নিজেদের রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন। তার জেরেই জঞ্জাল সাফাই নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে পুরপ্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাকি কর্মীদের ডাবল শিফটে কাজ করানো হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে দৈনিক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার পারিশ্রমিকে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করেছে প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাফাইকর্মীদের একটা অংশের বসবাস ইন্দিরা নগর বস্তি এলাকায়। নিজেদের রাজ্যে ভোট থাকায় অনেকেই ঘরে তালা ঝুলিয়ে সপরিবারে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। 

Advertisement

আবর্জনার পাহাড় জমায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে লখনউবাসীদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, আগাম কিছু না জানিয়েই আবর্জনা তোলা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাড়িতেও জমছে আবর্জনার স্তূপ। আলিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা সিমরন জানিয়েছেন, হঠাৎই পুরসভা ও বেসরকারি সাফাইকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। সিমরনের প্রতিবেশী সুরজের দাবি, তাঁর সাফাইকর্মী অসমের বাসিন্দা। ভোট দিতে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। তাই এখন নিজেই আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলে আসতে হচ্ছে তাঁকে। সমস্যায় পড়েছেন হোটেল মালিকরাও। 
প্রশাসন সূত্রে খবর, সাফাই কাজের জন্য ১ হাজার ৪৩০টি গাড়ি রয়েছে। কাজ করেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার কর্মী। বেসরকারি হিসেব ধরলে সংখ্যাটা আরও বেশি। কিন্তু সাফাই কর্মীদের অনেকেই ভোটে দিতে চলে যাওয়ায় সমস্যা মাথাচাড়া গিয়েছে।  আর এই সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন অতিরিক্ত পুর কমিশনার অরবিন্দ রাও’ও।

সম্পর্কিত সংবাদ