Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

যে চাঁদ দেখে ঈদ হয়, সেই চাঁদেই হিন্দুর কড়ওয়া চৌথ: অভিষেক

সম্প্রীতির মেলবন্ধনে বাংলাকে রক্ষা করার ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

যে চাঁদ দেখে ঈদ হয়, সেই চাঁদেই হিন্দুর কড়ওয়া চৌথ: অভিষেক
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রীতির মেলবন্ধনে বাংলাকে রক্ষা করার ডাক দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যারা বাংলার মানুষের মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নিলেন তিনি। খুশির ঈদের দিনে বিজেপির উদ্দেশে অভিষেক জানিয়ে দিলেন, যে চাঁদ দেখে ঈদ হয়, সেই চাঁদ দেখেই কড়ওয়া চৌথ হয়।

Advertisement

শান্তি-সম্প্রীতি, এটাই বাংলার চিরন্তন ঐক্য। যেখানে সব ধর্ম, সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান। তাঁরা একসঙ্গে সব উৎসব-পার্বণে মেতে ওঠেন। আবার কেউ বিপদে পড়লে অন্যজন ছুটে যেতে দ্বিধাবোধ করেন না। কিন্তু পারস্পরিক সুষ্ঠু সম্পর্কের এই আবহে বিজেপি ধর্মীয় বিভাজন ঘটানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে বিজেপি ধর্মে ধর্মে বিভাজনের গেম প্ল্যান করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানেই অভিষেক বুঝিয়ে দেন, আকাশে চাঁদের অবস্থান দেখেই খুশির ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে। আবার চাঁদ দেখেই স্বামীর মঙ্গল কামনায় ব্রত রাখেন স্ত্রীরা। ফলে চাঁদ, সূর্যের কোনও ধর্ম হয় না। আবার হিন্দু, মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন একই জল পান করেন। এই পরিবেশ থেকেই অক্সিজেন নিয়ে তারা বেঁচে থাকেন। তাই এই মাটি সকলের। 
সোমবার রেড রোডে কলকাতা খিলাফত কমিটির আয়োজিত ঈদ উদযাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন তিনি। উল্লেখ করেন, বৈচিত্র্যের মধ্যে একতাই আমাদের পথ চলার মূলমন্ত্র। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই বাংলা সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আসছে। আমার বিশ্বাস আগামী দিনেও দৃঢ় হবে সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন। 
কিন্তু এই পরিসরে বিজেপি বিভাজনের রাজনীতির পরিকল্পনা নিয়েছে বলে অভিযোগ। অভিষেক বলেন, সম্প্রীতির বাংলায় আগুন নিয়ে খেলা করে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু ওদের প্ররোচনায় কেউ পা দেবেন না। বাংলার একতাকে রক্ষা করার শপথ আমাদের। 
বিভাজনের রাজনীতি করলে কী ধরনের ফল হতে পারে, তা গত লোকসভা ভোটের তথ্য এদিন হাজির করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে লোকসভায় বাংলায় ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে ৬টি আসন বিজেপির কমে গিয়েছে। আর মানুষ একজোট না থাকলে বিজেপির একনায়কতন্ত্র চলত। 
আগামী দিনেও বিজেপিকে যোগ্য জবাব বাংলার মানুষ দেবে বলে প্রত্যয়ী সুর শোনা গিয়েছে অভিষেকে গলায়। তাঁর কথায়, যারা বাংলার মাটিকে ভাঙতে আসবে তারা গুঁড়িয়ে যাবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ