Bartaman Logo
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নয়া প্রজন্মের ব্য‌বসায়ীদের কাছে অমলিন অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব

অমিতাভ-অর্পিতা দুর্গাপুরের সফল ব্যবসায়ী দম্পতি। দু’জনেরই বয়স ৩৫-এর আশপাশে। কলেজজীবনে প্রেম। তারপর বিয়ে করে দু’জনই ব্যবসা শুরু করেন।

নয়া প্রজন্মের ব্য‌বসায়ীদের কাছে অমলিন অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: অমিতাভ-অর্পিতা দুর্গাপুরের সফল ব্যবসায়ী দম্পতি। দু’জনেরই বয়স ৩৫-এর আশপাশে। কলেজজীবনে প্রেম। তারপর বিয়ে করে দু’জনই ব্যবসা শুরু করেন। ১০বছরের মধ্যে সফল ব্যবসায়ী। বয়সে নবীন হলেও প্রবীণ ব্যবসায়ীদের মতোই অক্ষয় তৃতীয়ায় ভিড়িঙ্গি কালীমন্দিরে গিয়ে পুজো দিতে ভোলেন না তাঁরা। দু’জনেরই বিশ্বাস, অক্ষয় তৃতীয়ায় এই বিশেষ পুজোই সারাবছর তাঁদের ব্যবসায় সমৃদ্ধি এনে দেয়।

Advertisement

আসানসোলে বছর ৩০-এর চিরঞ্জিত সরকারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায় নামডাক হয়েছে। তাঁরা আরাধ্য দেবী মা ঘাঘরবুড়ি। অক্ষয় তৃতীয়ায় তিনিও মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। ১০বছর ধরে একই রুটিন রয়েছে। তিনি বলেন, মায়ের ইচ্ছেতেই ব্যবসায় উন্নতি হয়েছে। তাই কখনও পুজো দিলে ভুলি না।
শুধু আসানসোলের এই ব্যবসায়ীরাই নন, রানিগঞ্জের দেবাশিস হালদার, কুলটির স্বপন দাসের মতো নবীন ব্যবসায়ীরাও অক্ষয় তৃতীয়ায় পুজো করতে ভোলেন না। বাঙালি সংস্কৃতির অনেক রীতির অদলবদল হলেও এখনও নতুন প্রজন্মের কাছে অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মন্দিরেও বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভিড়িঙ্গি কালীমন্দির, ঘাঘরবুড়ি, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে দেবীকে বিশেষ ভোগ নিবেদন করা হবে। ভক্তদের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন মন্দিরের দরজা খুলে যাবে। বহু ব্যবসায়ী হালখাতা পুজো করতে মন্দিরে ভিড় করবেন। এছাড়া, অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনে বহু মানুষ উপনয়নের অনুষ্ঠান করেন। কল্যাণেশ্বরী ও ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে এই উপলক্ষ্যে ব্যাপক ভিড় হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। আজ অক্ষয় তৃতীয়ায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরে দ্বারোদ্ঘাটনও হচ্ছে। তা নিয়েও শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন মন্দিরের সেবাইত ও পণ্ডিতরা উচ্ছ্বসিত।
ভিড়িঙ্গি কালীমন্দিরের প্রধান সেবাইত সাধন রায় বলেন, দীঘায় এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় স্থানমাহাত্ম্য আরও বাড়বে। ধর্মীয় পর্যটনস্থল হিসেবেও দীঘার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে। অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনে এই কর্মসূচি রাজ্যের পক্ষে মঙ্গলময় হবে।
ঘাঘরবুড়ি মন্দিরের সেবাইত বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী বলেন, আমি নিজে রাজ্যের একটি মন্দিরের সেবাইত। সবসময় চাইব, রাজ্যের এধরনের বড় মাপের মন্দির প্রতিষ্ঠা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের সেবাইত মিঠু মুখোপাধ্যায় বলেন, অক্ষয় তৃতীয়ায় যে কোনও শুভ কাজের সূচনা করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী মন্দির উদ্বোধনের জন্য এই দিনটি বেছে অত্যন্ত বিচক্ষণ কাজ করেছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ