


প্রথমবার বাংলা ছবিতে অভিনয় করছেন শরমন জোশি। ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর রাজু রাস্তোগী এবার ‘ভালোবাসার মরসুম’ ছবির আবির। কলকাতায় এসে কাজ, বন্ধুত্ব সহ নানা বিষয়ে আড্ডা দিলেন অভিনেতা।
• ওয়েলকাম টু কলকাতা...
•• ধন্যবাদ। বাংলায় প্রথম কাজের মহরতের জন্য কলকাতায় এলাম। ভীষণ ভালো লাগছে।
• প্রথমবার বাংলা ছবিতে অভিনয়, কতটা এক্সাইটেড?
•• প্রচণ্ড...। এই কাজটা ভালো ভাবে এক্সপ্লোর করতে চাই।
• বাংলা বলতে পারেন?
•• না। এখনও ভালোভাবে বাংলা বলতে পারি না।
• আপনার জামাইবাবু তো বাঙালি। তাঁর থেকে বাংলা শেখেননি?
•• আমার বোন গুজরাতি হলেও বিবাহসূত্রে বাঙালি। তবে বাড়িতে সেভাবে বাংলায় কথা বলা হয় না। তাই শেখা হয়ে ওঠেনি।
• অভিনয়ে অসুবিধা হবে না?
•• ছবিতে যে সংলাপগুলি রয়েছে, সেগুলিতেই মনোনিবেশ করছি আপাতত। একজন শিখিয়ে দিচ্ছেন। বাংলা সংলাপ ভালোভাবে বলতে পারাই এখন আমার মূল লক্ষ্য।
• বাংলায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন কেন?
•• ওই যে বললাম, এক্সপ্লোর করতে চাই। বলা ভালো, সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে চাই। আমার কাছে যে সুযোগ আসে, সেটাকে ভালো কাজে লাগাই। শুধু বাংলা কেন, তেলুগু, গুজরাতি সিনেমাতে কাজের পরিকল্পনাও রয়েছে।
• আপনার অধ্যাপকের চরিত্র?
•• হ্যাঁ, সঙ্গে ত্রিকোণ প্রেম। চিত্রনাট্য আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বাকিটা সময়ের হাতে।
• বাংলা থেকে অনেকে বলিউডে কাজ করছেন। আপনি বলিউড থেকে বাংলায় এলেন। এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে?
•• বিষয়টাকে প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখি না। প্রত্যেকের জীবনের যাত্রাপথ আলাদা। চ্যালেঞ্জও আলাদা। সেই পথ কখনও বন্ধুর, কখনও মসৃণ। আমার তো নিজের সঙ্গেই প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা চলে।
• বলিউডে আপনার বন্ধু কে?
•• বলিউড আমার কাজের জায়গা। আমরা সকলেই সেখানে নিজের সেরাটুকু দিতে ভালোবাসি। তবে কাজের বাইরেও কয়েকজন বন্ধু হয়ে ওঠে। বলিউডে আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু আমির খান। এছাড়াও বেশ কয়েকজন পরিচালক বন্ধুও রয়েছেন।
• আপনার কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা?
•• অবশ্যই ‘থ্রি ইডিয়টস’। রাজুর চরিত্রটা এখনও মানুষের মনে গেঁথে রয়েছে। কত মিম হয় (হাসি)। এই ছবির পর থেকে আমার জীবনও অন্য বাঁকে চলতে শুরু করেছে।
পূর্বাশা দাস