Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অপমান করার অধিকার কমিশনের নেই, লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা

প্রবীণ নাগরিকদের অপমান করার অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। শুক্রবার শুনানি কেন্দ্রে এসে এভাবেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধরা।

অপমান করার অধিকার কমিশনের নেই, লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: প্রবীণ নাগরিকদের অপমান করার অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। শুক্রবার শুনানি কেন্দ্রে এসে এভাবেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধরা। ৮৫-ঊর্ধ্ব ভোটারদের বাড়িতে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হলেও ৬০ পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সরকারি অফিসেই আসতে হচ্ছে। অসুস্থ হলেও তাঁরাও রেহাই পাচ্ছেন না। এদিন শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা দিতে এসেছিলেন বৃদ্ধা ভারতী শিকদার। ১৯৬০ সালে জন্ম। অসুস্থ রয়েছেন। পরিবারের লোকজন কোনওরকমে তাঁকে শুনানি কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, আমরা এরাজ্যেরই বাসিন্দা। জন্ম এখা঩নেই। তারপরেও এই বয়সে শুনানি কেন্দ্রে এসে হাজিরা দিতে হল। আমাদের অপমান করা হচ্ছে।

Advertisement

প্রবীণরা বলেন, ৬০ বছর হলেই সরকারিভাবে সিনিয়র সিটিজেন হয়ে যায়। তাই তাঁদের শুনানি বাড়িতেই করতে পারত কমিশন। সেটা হলে এই ঠান্ডায় এভাবে লাইনে দাঁড়াতে হত না। অনেকে শুনানি কেন্দ্রে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এক আধিকারিক বলেন, এসআইআর শুরুর আগে নির্বাচন কমিশন পরিকাঠামো তৈরি করেনি। অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়ে এত বড় কাজে নামা হয়েছে। ৬০-ঊর্ধ্ব ভোটারদের বাড়ি গিয়ে শুনানি করার মতো কর্মী ছিল না। কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানে এক লক্ষ এক হাজার জনকে শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। যাঁদের ২০০২ সালে নাম নেই তাঁদের ডাকা হচ্ছে। তবে, টেকনিক্যাল সমস্যার জন্যও অনেককে খেসারত দিতে হচ্ছে। হার্ডকপিতে অনেকের নাম থাকলেও বিএলওদের অ্যাপে তা দেখায়নি। তারজন্য তাঁদেরও ডাকা হয়েছে। সেই তালিকায় বৃদ্ধ বৃদ্ধারাও রয়েছেন। কমিশনের ভুলে তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।-ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ