নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কতজন কর্মরত শিক্ষককে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ফের টেট-এ বসতে হতে পারে, সেই তথ্য নেওয়া শুরু করল রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সোমবার পর্ষদের তরফে ডিআইদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে এই শিক্ষকদের নাম, স্কুলের নাম, জয়েনিংয়ের তারিখ প্রভৃতি যাবতীয় তথ্য পর্ষদে পাঠাতে হবে। প্রসঙ্গত, ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি মনমোহনের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছে, শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী সমস্ত কর্মরত শিক্ষককেই টেট উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতায় নিযুক্ত সবাইকেই এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। নাহলে চাকরি চলে যাবে তাঁদের। এই রায় চ্যালেঞ্জ করে একদিকে যেমন বিভিন্ন রাজ্য রিভিউ পিটিশন ফাইল করছে, তেমনই সরকারকেও চাপ দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষার অধিকার আইন সংশোধন করার দাবিও তুলছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। পর্ষদের এই বিজ্ঞপ্তির কথা জানতে পেরে রাজ্যের কিছু শিক্ষক সংগঠনের দাবি, সরকার এই রায় নিয়ে নিজেদের মনোভাব প্রকাশ্যে জানাক। তা না হলে শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হওয়া প্রবল আতঙ্কের অবসান হবে না।



