


সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হোম থেকে স্কুলে গিয়েছিল সে। কিন্তু সেখান থেকে হোমে না ফিরে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক নাবালকের বিরুদ্ধে। যদিও পরে ১২ বছরের ওই নাবালককে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বাগনানের নুন্টিয়া হাইস্কুলে।
জানা গিয়েছে, বাগনানের ইটিন্ডা কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অধীনে থাকা ওই হোমে বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হওয়া নাবালকরা থাকে। তাদের বয়স ৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। তারা সকলে হোমের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকলেও দশ বছরের বেশি বয়সিরা স্কুলে যায়। হোমের ১৩ জন নাবালক নুন্টিয়া হাইস্কুলে পড়ে। হোম সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালে হোমের দু’জন কর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছ’জনকে স্কুলে নিয়ে যান। দুপুরে মিড ডে মিল খাওয়ার সময় তাদের মধ্যে একজন শৌচালয়ে যায়। সে শৌচালয়ের জানালা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে অন্য ছাত্ররা তা দেখে ফেলে। তারা তাড়া করলে ছাত্রটি এক দৌড়ে স্কুলের পিছন দিকে চলে যায় এবং একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে বাগনান গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্কুলের শিক্ষক অসিত ঘোষ বলেন, এদিন ক্লাসে ওই ছাত্রটি নানা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছে। তারপর মিড ডি মিল খাওয়ার সময় স্কুল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছে। অবাকই হয়েছি, দু’টি ঘটনার মধ্যে মিল খুঁজে পাচ্ছি না। ইটিন্ডা কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্পাদক কাকলি মণ্ডল বলেন, আমরা হোমের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর জন্য প্রশাসনকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে বলেছি। কিন্তু তা না হওয়ায় এদিন এই বিপত্তি হল। আমাদের হোমে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকলেও স্কুলে তা নেই। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক মানসকুমার মণ্ডল।