


নয়াদিল্লি: ধর্ষণের মামলায় আদালতের নথিতে নির্যাতিতাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে কেন? প্রশ্ন তুলল খোদ সুপ্রিম কোর্ট। নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টগুলিকে তিরস্কার করে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, নির্যাতিতা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নাম যাতে কোর্টের নথিতে উল্লেখ করা না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এই নির্দেশের প্রতিলিপি দেশের সব হাইকোর্টে পাঠাতে বলা হয়েছে। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং এন কে সিংয়ের বেঞ্চ নির্যাতিতাদের নাম প্রকাশের ইস্যুতে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিচারপতিরা বলেছেন, বিধিবদ্ধ আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা ও বারবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও এধরনের ত্রুটি থেকেই যাচ্ছে। ধর্ষণের একটি মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে শীর্ষ আদালত বলেছে, নিম্ন আদালতের নির্দেশের নথিতে নাবালিকা নির্যাতিতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণে নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ নিষিদ্ধ। কিন্তু আদালতকক্ষে বিচারের প্রক্রিয়ায় স্পষ্টতই আইনের সেই ধারা মানা হচ্ছে না। ধর্ষণে নির্যাতিতাদের অন্য সাধারণ সাক্ষীদের মতো করে বিবেচনা করা হচ্ছে। আদালতের সমস্ত রেকর্ডে বিনা বাধায় তাঁদের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে। কঠোরতম ভাষায় এর নিন্দা করা উচিত। সুপ্রিম কোর্ট অতীতেও লক্ষ্য করেছে, নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পরিচয় গোপন রাখা সংক্রান্ত আইনি মানা হচ্ছে না।