সংবাদদাতা, ইটাহার: ইটাহারের মারনাই গ্রাম পঞ্চায়েতের কচুয়ায় কয়েক দশকেও তৈরি হয়নি সেতু। ভেসে গিয়েছে সাঁকো। বর্ষায় সুই নদী পারাপারে পড়ুয়া সহ এলাকার বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা থার্মোকলের ভেলা কিংবা নৌকা। অভিযোগ, প্রশাসনের উদাসীনতায় সেতু না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই পারাপার করেন এলাকার ১০ টি গ্রামের মানুষ। অবিলম্বে সেতু নির্মাণের দাবি দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। এবিষয়ে ইটাহারের বিডিও দিব্যেন্দু সরকার বলেন, বিষয়টি সেচদপ্তর সহ জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ হবে।
ইতিমধ্যে কচুয়ায় সুই নদীর ভাঙন রোধে বোল্ডার বাঁধের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে এলাকার দীর্ঘদিনের সেতু নির্মাণের দাবি এখনও অধরা। ভেলা ও নৌকায় সুই নদী পারাপার করতে হয় মারনাই ও কাপাশিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বীরনগর, বিষ্টুপুর, বোচকাপাড়া, টিটিহা, জামালপুর, রাধানগর, টেপোর, বগডুমা, নমুনিয়া, বোরোট, বালিয়াপাড়ার কয়েক হাজার মানুষকে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, কয়েক মাস আগে নদীর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে চাঁদা তুলে এলাকাবাসীদের হাতে তৈরি সাঁকো। নদীর ধারে রয়েছে হাই মাদ্রাসা ও প্রাথমিক স্কুল।
পড়ুয়া মাহফুজ আলম বলে, এখানে ব্রিজ নেই। ভয়ে ভয়ে ভেলাতেই নদী পার হয়ে স্কুল যেতে হয় আমাদের। এলাকার বাসিন্দারাও সাইকেল, বাইক নিয়ে নৌকায় নদী পার হন। অসুস্থদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে সমস্যা হয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের সব স্তরে সেতুর দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার ও আবু বক্করের আক্ষেপ, প্রশাসনেক কেউই আমাদের সমস্যা দেখতে পান না। প্রতিবছর চাঁদা তুলে সাঁকো তৈরি করি। বর্ষায় প্রতিবারই ভেসে যায়। তখন ভেলাই আমাদের ভরসা হয়ে ওঠে।