


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ যেন হাতে চাঁদ পাওয়া! না, ঠিক চাঁদ পাওয়া নয়, চাঁদ তৈরি করা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আকাশজুড়ে দেখা গিয়েছে কোল্ড সুপারমুন। কালো আকাশে বিশাল সেই চাঁদ দেখতে টেলিস্কোপে চোখ ছিল অনেকেরই। এদিন বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল মিউজিয়াম (বিআইটিএম) চাঁদ দেখার বন্দোবস্ত করেছিল। সঙ্গে ছিল হাতে চাঁদ পাওয়ার ব্যবস্থাও।
পড়ুয়ারা হাতে পেয়েছিল একটি করে বেলুন। সেই বেলুন দিয়ে কীভাবে আসলের মতো দেখতে নকল চাঁদ তৈরি করা যায় তাই শেখানো হয়েছে তাদের। ছোট করে ফোলানো বেলুনটি আঠা ও টিস্যু পেপার দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল প্রথমে। একসময় তা হাওয়া লেগে যায় শক্ত হয়ে। মুড়ে ফেলা টিস্যু পেপার চন্দ্রপৃষ্ঠের কলঙ্ক, উঁচুনিচু পৃষ্টের মতো দেখতে হয়ে ওঠে। হয়ে ওঠে আসলের মতো দেখতে নকল চাঁদ। নিজেরা হাতে করে সেই চাঁদ তৈরি করে বেজায় আনন্দ পড়ুয়াদের। এরপর শুরু হয় বছরের শেষ সুপারমুন দেখার পালা। অন্যদিকে এদিনই ছিল ‘বিশ্ব মাটি দিবস’। বিআইটিএমে স্কুল পড়ুয়ারা নিজের হাতে মাটি মেখে তৈরি করেছে নানা রকমের জিনিসপত্র। কেউ বানিয়েছিল পাত্র, কেউ তৈরি করে গভীর সমুদ্রের বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণী। ২০১৪ সালে রাষ্ট্রসংঘ ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশন পাঁচ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘বিশ্ব মাটি দিবস’ বলে ঘোষণা করেছিল। এ বছরও তা পালন হয়েছে। এবার মাটি দিবসের থিম ছিল ‘শক্তিশালী শহরের জন্য শক্তিশালী মাটি’। এই দিনটি স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে উদযাপন করা হয়েছে কলকাতার বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল মিউজিয়ামে। এছাড়া এখানকার ‘লস্ট অ্যাট সি’ গ্যালারিতে এক মৃৎশিল্পী কর্মশালা করেছেন। বিআইটিএমের এক আধিকারিক বলেছেন, ‘মাটি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। তার সঙ্গে সমুদ্রে যে প্রাণীগুলি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে বা যাচ্ছে-সেই বিষয়টিও পড়ুয়াদের জানানো হয়েছে।’