Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের টাকা আটকে, ব্যাংকার্সদের বৈঠকে সরব রাজ্য সরকার

উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহযোগিতার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু, শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়ে গেলেও অনেকের আবেদন অনুমোদন করছে না একাধিক ব্যাংক।

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের টাকা আটকে, ব্যাংকার্সদের বৈঠকে সরব রাজ্য সরকার
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহযোগিতার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু, শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়ে গেলেও অনেকের আবেদন অনুমোদন করছে না একাধিক ব্যাংক। ফলে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীরা। একইভাবে রাজ্য অনুমোদন দিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও ব্যবসা শুরু করার জন্য ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড থেকে শুরু করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ঋণ প্রদানও ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। অকারণে বিলম্বিত হচ্ছে ঋণ দেওয়ার জন্য অনুমোদন। এর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটির (এসএলবিসি) বৈঠকে সরব হয় রাজ্য সরকার। দ্রুত সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে তারা। 

Advertisement

মধ্য কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে এদিন এসএলবিসি’র বৈঠক হয়। সেখানে বিভিন্ন ব্যাংকের পদস্থ কর্তাদের সামনে ব্যাংকিং সংক্রান্ত একাধিক ইস্যু তুলে ধরেন রাজ্যের মন্ত্রী-আমলারা। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্র, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ছাড়াও ছিলেন অর্থসচিব প্রভাত মিশ্র সহ অন্যান্য আধিকারিক। সূত্রের খবর, বৈঠকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলির কাছে এমন কয়েক হাজার আবেদন পড়ে রয়েছে, যাদের ইতিমধ্যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা পেয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা ব্যাংকে গেলে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে হাজার জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ফলে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়ে গেলেও প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। বিভিন্ন শিবির চালু করে আবেদনকারীদের সহযোগিতা করছে রাজ্য। কিন্তু সেই আবেদন ব্যাংকে পৌঁছানোর পর পড়ে থাকছে দিনের পর দিন। এছাড়াও, ক্রেডিট-ডিপোজিট (সিডি) অনুপাত অনুযায়ী ব্যাংকগুলির এ রাজ্যে যত টাকা ঋণ বাবদ দেওয়া উচিত, সেই তুলনায় অন্য রাজ্যে বেশি ঋণ দেওয়া নিয়েও এদিন বৈঠকে রাজ্য সরব হয়েছে বলে খবর। এই অর্থের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে রাজ্য। ‘সিডি’ বাড়লে উপকৃত হবে রাজ্যের শিল্প-কৃষি সহ নানা ক্ষেত্র। লাভবান হবে সাধারণ মানুষও। প্রতিটি বিষয় নিয়ে আগামীতে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে এসএলবিসি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ