


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে সাফল্যের কৌশল বহুদিন ধরেই প্রধানত কোচিংকেন্দ্রিক। একইভাবে, বড় ডাক্তার হওয়ার সর্বভারতীয় পরীক্ষা নিট পিজির প্রস্তুতিও গত প্রায় এক দশক ধরে কোচিং সেন্টার এবং অ্যাপভিত্তিক হয়ে গিয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলির একাংশের এখন এমনই প্রভাব-প্রতিপত্তি যে তারা সরকারি মেডিক্যাল কলেজেও প্রাইভেট কোচিং দিচ্ছে! কলকাতার এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এমনই এক ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে। যথারীতি শুরু হয়েছে হইচই। জানা গিয়েছে, এন আর এস ছাড়াও ডায়মন্ডহারবার, বর্ধমান সহ একাধিক মেডিক্যাল কলেজ থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে প্রাইভেটে পড়তে আসেন। তরুণ চিকিৎসক এবং ছাত্রছাত্রীদের একাংশ ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, শুধু এন আর এস নয়, রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে প্রভাবশালী অঙ্গুলিহেলনে চুটিয়ে চলছে প্রাইভেট কোচিং ক্লাস। প্রশ্ন হল, তাহলে কি সরকারি শিক্ষক-চিকিৎসকদের ক্লাসের উপর নির্ভর করে নিট পিজি ক্র্যাক করা যাচ্ছে না? নাকি সিনিয়রদের একাংশ ক্লাসই নেন না? কারা এমন বেআইনি কাজের অনুমতি দিল, উঠছে সেই প্রশ্নও।
অভিযোগ, এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে নিট পিজি পড়াশোনার প্রাইভেট কোর্স চালাচ্ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তাও আবার হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সেমিনার হলে। স্টুডেন্ট কাউন্সিলের মদতও রয়েছে বলে খবর। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কলেজ অধ্যক্ষ ডাঃ ইন্দিরা দে-কে ফোন করা হয়েছিল। তিনি ফোন ধরেননি। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘এন আর এসের কাছে এই ঘটনার জবাবদিহি চাওয়া হবে।’