Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

শেয়ার বাজারে ফের ধস, ডুবল লগ্নিকারীদের ১৪ লক্ষ কোটি, ৯৪ পেরিয়ে আরও তলানিতে টাকার দর

পশ্চিমি ঝঞ্ঝার ঝাপটা! বেসামাল দেশের শেয়ার বাজার। সপ্তাহান্তে দু’দিনের ছুটির পর সোমবার বাজার খোলার পরই পতনের রক্তচক্ষু।

শেয়ার বাজারে ফের ধস, ডুবল লগ্নিকারীদের ১৪ লক্ষ কোটি, ৯৪ পেরিয়ে আরও তলানিতে টাকার দর
  • ২৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পশ্চিমি ঝঞ্ঝার ঝাপটা! বেসামাল দেশের শেয়ার বাজার। সপ্তাহান্তে দু’দিনের ছুটির পর সোমবার বাজার খোলার পরই পতনের রক্তচক্ষু। সূচকে ফের বড়োসড়ো ধসে আতঙ্ক গ্রাস করল দালাল স্ট্রিটকে। প্রথম ঘণ্টাতেই এক ঝটকায় ১৪ লক্ষ কোটি টাকা ডুবল লগ্নিকারীদের। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলির সামগ্রিক বাজার মূলধন (মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন) শুক্রবার ছিল ৪২৯ লক্ষ কোটি টাকা। তা এদিন কমে ৪১৫ লক্ষ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। 

Advertisement

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের জেরে ঊর্ধ্বমুখী অশোধিত তেলের দর। বিদেশি লগ্নি সরিয়ে নেওয়ার ধারাতে কোনো ছেদ পড়ছে না। তার উপর রোখা যাচ্ছে না টাকার দামের পতনও। এদিন দর বেড়েছে প্রায় ৫০ পয়সা। বাজার বন্ধের আগেই মার্কিন ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার দাম ৯৪ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়। দিনের শেষে অবশ্য এক ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৯৩ টাকা ৩ পয়সা (প্রভিশনাল)। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে লোকসানের আশঙ্কায় লগ্নিকারীরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তার জেরে শেয়ার সূচক এদিনও বড়োসড়ো ধাক্কা খেল।  সেনসেক্স ২.৪৬ শতাংশ পিছলে ৭৩ হাজার পয়েন্টের নীচে নেমে যায়। দিনের লেনদেনের শেষে ৭২,৬৯৬.৩৯ পয়েন্টে নেমে ধুঁকছে বিএসই সূচক। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক নিফটি ২.৬০ শতাংশ পড়ে থিতু হয়েছে ২২,৫১২.৬৫ পয়েন্টে। 
বাজারের রক্তক্ষরণের কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন জিওজিত ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের গবেষণা বিভাগের প্রধান বিনোদ নায়ার। বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ঘিরে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে। এশিয়ার অন্যান্য বাজারেরও মতো ভারতের শেয়ার বাজারের সূচকেও ধস নেমেছে। হরমুজ নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা লগ্নিকারীদের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তীব্রতর করেছে। জ্বালানির দামও চড়ছে। ফলে আগামী দিনে মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে লগ্নিকারীদের উদ্বেগ গভীর হচ্ছে। সেইসঙ্গে টাকার দামে পতন ও বিদেশি লগ্নি সরে যাওয়ার ধারা চাপ বাড়িয়েছে বাজারে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ