Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পানিহাটির নতুন চেয়ারম্যান সোমনাথ, পরিষেবা সচল হোক চাইছেন শহরবাসী

জল্পনার অবসান। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো শুক্রবার সর্বসম্মতভাবে পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন সোমনাথ দে।

পানিহাটির নতুন চেয়ারম্যান সোমনাথ, পরিষেবা সচল হোক চাইছেন শহরবাসী
  • ২২ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: জল্পনার অবসান। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো শুক্রবার সর্বসম্মতভাবে পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন সোমনাথ দে। বিধায়ক নির্মল ঘোষ কাউন্সিলারদের দলীয় হুইপ দেওয়ার পাশাপাশি চেয়ারম্যান নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত পুরসভায় ছিলেন। তবে প্রাক্তন চেয়ারম্যান মলয় রায় পুরসভায় আসেননি। নতুন চেয়ারম্যান আগামী সোমবার শপথ নেবেন। স্তব্ধ হয়ে যাওয়া পুর পরিষেবা সোমবার থেকেই সচল  হওয়ার আশা করছেন শহরবাসী।

Advertisement

সোমনাথ দে ২০১৩ সালে প্রথম কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান পারিষদ (বিদ্যুৎ) হয়েছিলেন। পরে ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমান পুরবোর্ডে চেয়ারম্যান পারিষদ (পূর্ত) ছিলেন। এদিন পুরসভায় পৌঁছে বিধায়ক নির্মল ঘোষ সরাসরি পুরসভার চেয়ারম্যান পারিষদ (জল) তথা ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষের অফিসে গিয়ে বসেন। এরপর দলের কাউন্সিলারদের নিয়ে সরাসরি বোর্ড রুমে ঢুকে দলীয় বৈঠক শুরু করেন। শহরের মোট ৩৫ জন কাউন্সিলারের মধ্যে ৩২ জন হাজির ছিলেন। তারমধ্যে শাসক দলের ৩০ জন কাউন্সিলার ছাড়াও কংগ্রেস ও সিপিএমের মোট দুই কাউন্সিলার উপস্থিত ছিলেন। সবাই সর্বসম্মতভাবে সোমনাথবাবুকে সমর্থন করেন। শহরবাসীর ক্ষোভ প্রশমিত করে ভেঙে পড়া পুর পরিষেবাকে সচল করার গুরুদায়িত্ব এখন সোমনাথবাবুর কাঁধে। 
এদিন সোমনাথবাবুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর পানিহাটিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ তুঙ্গে। কারণ, শহরের রাজনীতিতে বিধায়ক বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত পানিহাটি শহর (পূর্ব) তৃণমূল সভাপতি তথা কাউন্সিলার সম্রাট চক্রবর্তী। তিনি রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র। এদিন সোমনাথবাবুর সঙ্গে বিধায়কের কথা ও সৌজন্য বিনিময় হলেও সম্রাটবাবুর সঙ্গে তা হয়নি। এমনকী, অমরাবতী মাঠ কাণ্ডের আগে সম্রাটবাবুর ঘনিষ্ঠদের একঘরে করা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে না ডাকার মতো নানা অভিযোগ উঠেছিল।
নির্মল ঘোষ এদিন বলেন, দলনেত্রীর নির্দেশ ও আদর্শ মেনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। মানুষকে পরিষেবা দিতে হবে। গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও বিষয় নেই। সম্রাট চক্রবর্তী বলেন, বসন্তের রঙিন ক্যানভাসের মতো পানিহাটিকে সাজিয়ে তুলতে হবে। আমাদের দলে একজন নেত্রী, একটাই গোষ্ঠী। সোমনাথ দে বলেন, টিম হিসেবে কাজ করে সমস্ত মানুষের দুয়ারে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ