Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এসআইআর করে বিহারের মতোই রাজ্যে ভোটে কারচুপির চেষ্টা হবে

সআইআর করে বিহারের মতো এই রাজ্যে ভোটে কারচুপির চেষ্টা হবে। কংগ্রেসের জনসভা থেকে মানুষকে সতর্ক করে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী।

এসআইআর করে বিহারের মতোই রাজ্যে ভোটে কারচুপির চেষ্টা হবে
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: এসআইআর করে বিহারের মতো এই রাজ্যে ভোটে কারচুপির চেষ্টা হবে। কংগ্রেসের জনসভা থেকে মানুষকে সতর্ক করে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বহরমপুর টেক্সটাইল কলেজ মোড়ে জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক। ওই সভায় কংগ্রেসের  জেলা সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী, কংগ্রেস নেতা জয়ন্ত দাস, মাহফুজ আলম ডালিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসআইআরের ইস্যু নিয়ে বিহারের উদাহরণ টেনে অধীরবাবু বলেন, আমরা বিজেপির মতো বৈধ ভোটারকে অবৈধ করতে দেব না। আবার তৃণমূলের মতন অবৈধ ভোটারকে বৈধ করার দাবিও করব না আমরা। মুর্শিদাবাদের মানুষদের নিয়ে অনেক কিছু খেলা চলছে। তাতে পা দেবেন না আপনারা। আমরা যেমন ছিলাম তেমন আছি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে আমরা বেঁচে আছি এবং বেঁচে থাকব। এলাকার মানুষ এসআইআরের নামে নামে বিভাজিত হবেন না। এর আগে এনআরসির নামে বিভাজিত হয়েছিল বাংলা। আমরা নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলাম, শূন্য পেয়েছিলাম। কিন্তু তারপরেও মানুষের সঙ্গে আছি। বিহারের একাধিক বিধানসভা আসনের উদাহরণ টেনে তিনি ভোটে কারচুপির কথা বলেন। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অধীরবাবু। তিনি বলেন, বিহারের সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারে এমন হিসেব করে এলাকা বেছে বেছে ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কী করে এমন হল, নির্বাচন কমিশন তার উত্তর দিতে পারেনি। রক্ত না ঝরিয়ে এই ভারতবর্ষের নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটা বড় হত্যা চলছে। বাংলায় একই চেষ্টা হবে। এই বাংলায় নির্বাচন কী হয়, আমি আপনি সবাই জানি। এসআইআরে বাংলায় তৃণমূল সরকারের লাভ হচ্ছে। না হলে, বাংলায় এসআইআর করতে অনুমতি দিলেন কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সে কথা আগে বলুন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এসআইআরের নামে মানুষকে উত্তেজিত করছেন। আর আমরা মানুষকে সহযোগিতা করছি। সাধারণ মানুষকে বোঝাচ্ছি, যাতে কেউ আতঙ্কিত না হন। সমস্ত বুথে বুথে আমাদের বিএলএরা কাজ শুরু করেছে। এদিন রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে অধীরবাবু বলেন, বাংলাজুড়ে মানুষ তৃণমূলের শোষণের শিকার হচ্ছে। এসআইআরের ফর্ম পূরণের নাম করে তৃণমূলের লোকজন তোলাবাজি শুরু করেছে। পাল্টা তৃণমূলের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান তথা হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন, ওদের বক্তব্য ওরা বলছে। এসআইআর নিয়ে আমরা মানুষকে লাগাতার বোঝাচ্ছি। তাদের সহযোগিতা করছি। কিন্তু যারা বিরোধী তারা তো ভালো কাজ নিয়েও উল্টোপাল্টা বলবে বলেই এদিন এমন কথা বলছে। আমরাও যথাসময়ে এর জবাব দেব। এদিন অধীরবাবু আরও বলেন, আমি মতুয়াদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করলাম, তারপরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সময় হল তাদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করার। আমি এদিন টেক্সটাইল কলেজ মোড়ে এই বিশাল সভা করলাম। এই সভা মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার জন্য নয়। এই সভায় মানুষ নিজেদের তাগিদেই এসেছেন। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ