


তেহরান: যুদ্ধ থামানোর প্রয়োজন নেই। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকুক। আমেরিকাকে এমনই পরামর্শ দিয়েছেন সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে অনুসারে স্বয়ং ট্রাম্প এই দাবি করেছেন। সৌদির যুবরাজকে ‘মহান যোদ্ধা’ আখ্যাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরব আমেরিকার পাশেই রয়েছে। যুবরাজ তাঁকে বুঝিয়েছেন যে, মার্কিন-ইজ়রায়েলের চলতি অভিযান পশ্চিম এশিয়াকে নতুন করে সাজানোর ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ এনে দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় আমেরিকা-ইজরায়েল। পালটা আঘাত হানে ইরানও। উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকার মিত্র দেশগুলিতেও আছড়ে পড়ে তেহরানের ছোড়া মিসাইল। বাদ যায়নি দুবাইও। তবে এই যুদ্ধে সৌদি আরবের অবস্থান বোঝা যায়নি। শোনা যাচ্ছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন সলমন। এবার স্বয়ং ট্রাম্প সেই দাবিকে মান্যতা দিলেন।
ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধের আবহে সৌদি আরব তাদের কূটনৈতিক মত বদলেছে। আরও কঠোর হয়েছে তাদের সামরিক অবস্থান। অন্যদিকে, সৌদি আরব ইরানের কিছু কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। যা স্পষ্ট করেছে, দুই দেশের সম্পর্কে আরও অবনতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সৌদি আরব সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে চলতি সংঘাতের ব্যাপকতা বাড়তে পারে। এমনিতেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চরম আকার নিয়েছে। এবার সৌদি আরব যুদ্ধে জড়ালে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হতে পারে বলে আশঙ্কা। সৌদি যুবরাজের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প। ফাইল চিত্র।