Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পরমাণু কেন্দ্রের জরুরি সামগ্রী সরিয়ে ফেলেছে ইরান? উপগ্রহ চিত্রে জল্পনা

ইরানের তিনটি পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহার করে পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পরমাণু কেন্দ্রের জরুরি সামগ্রী সরিয়ে ফেলেছে ইরান? উপগ্রহ চিত্রে জল্পনা
  • ২৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ইরানের তিনটি পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহার করে পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু হামলায় কি সত্যিই পরমাণুকেন্দ্রগুলির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে নাকি তার আগেই প্রয়োজনীয় সামগ্রী অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে তেহরান? মার্কিন সংস্থা ‘ম্যাক্সার টেকনোলজিস’-এর উপগ্রহ চিত্রের বিভিন্ন ছবি নিয়ে এমনই জল্পনা তৈরি হয়েছে। গত কয়েকদিনের উপগ্রহ চিত্রে গত ফোরদো পরমাণুকেন্দ্রের আশপাশে বিভিন্ন গতিবিধি ধরা পড়েছে। রাজধানী তেহরান থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ফোরদো। দেখা যাচ্ছে, ১৯ জুন পরমাণুকেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তায় ১৬টি পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরের দিনের উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ওই ট্রাকগুলি পরমাণুকেন্দ্র থেকে দূরে সরে গিয়েছে। তার বদলে অন্য ট্রাক ও বুলডোজার ফোরদোর প্রবেশদ্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে একটি ট্রাককে একেবারে মূল টানেলের মুখে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা গিয়েছে ওই উপগ্রহচিত্রে। গত ১৩ জুনও ইরানের একাধিক পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। তারপরেও ফোরদোর ছবি ম্যাক্সারের উপগ্রহে ধরা পড়েছিল। কিন্তু সেই সময় কোনও অস্বাভবিক গতিবিধি ধরা পড়েনি। প্রশ্ন উঠেছে, আমেরিকার হামলার আশঙ্কায় কি আগেভাগেই পরমাণুকেন্দ্রের জরুরি সামগ্রী অন্য জায়গায় সরাতে শুরু করেছিল ইরান? সেক্ষেত্রে হামলা চালিয়ে কি আদৌও তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে পারবে আমেরিকা? ইরান ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, হামলার পরেও তারা পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করছে না। অপরদিকে, এর পাল্টা তত্ত্বও উঠে আসছে। কারণ, গত শুক্রবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের উপর সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নিতে দু’মাস সময় লাগবে। কিন্তু দু’দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত বদলে সরাসরি আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের ধারণা, ইরান যাতে জরুরি সামগ্রী সরিয়ে নিতে না পারে, তার জন্যই ট্রাম্প তড়িঘড়ি তিনটি পরমাণুকেন্দ্র আক্রমণের পথে হাঁটলেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ