Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সম্প্রীতি উড়ালপুল, গাড়ি চললে কতটা কাঁপছে সেতু? স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে কেএমডিএ

সম্প্রীতি উড়ালপুলে যানবাহন চললে কতটা কম্পন হচ্ছে? উড়ালপুলের ভারবহন ক্ষমতা কোন পর্যায়ে রয়েছে?

সম্প্রীতি উড়ালপুল, গাড়ি চললে কতটা কাঁপছে সেতু? স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে কেএমডিএ
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রীতি উড়ালপুলে যানবাহন চললে কতটা কম্পন হচ্ছে? উড়ালপুলের ভারবহন ক্ষমতা কোন পর্যায়ে রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে সমীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ)। গোটা উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার ডাকা হয়েছে। সমীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে উড়ালপুল সংস্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। 

Advertisement

২০১৪ সালে এই উড়ালপুল তৈরির কথা ঘোষণা হয়। প্রথমে ২৫৫ কোটি টাকা খরচ ধরা হলেও পরবর্তীকালে তা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫৫ কোটি। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে কাজ শেষ হয়। ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারি সম্প্রীতি উড়ালপুলের (বাটানগর ফ্লাইওভার) উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই এই উড়ালপথের নামকরণ করেন। বাটানগর মোড় থেকে জিঞ্জিরা বাজারকে যুক্ত করেছে এই ফ্লাইওভার। ৬.৮ কিমি দীর্ঘ ও সাড়ে সাত মিটার প্রশস্ত এই উড়ালপুল কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণ শহরতলির মহেশতলা, পুজালি, বজবজ অঞ্চলের যোগাযোগ অনেক মসৃণ করেছে। সম্প্রতি এই ফ্লাইওভারের রাস্তা সংস্কারে হাত দিয়েছে কেএমডিএ। নতুন করে পড়ছে পিচের আস্তরণ (ম্যাস্টিক)। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই ব্রিজের উপর চাপ বেড়েছে। তাই বর্তমানে এই উড়ালপুলের ভারবহন ক্ষমতা কতটা, গাড়ি যাতায়াতের ফলে ব্রিজ কতটা কাঁপছে, তার জেরে সেতুতে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না—এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। কেএমডিএ’র এক কর্তা বলেন, ‘এক ধরনের সেন্সর ডিভাইস রয়েছে। সেটি ব্রিজের গায়ে লাগানো হবে। গাড়ি চলার ফলে কতটা কম্পন হচ্ছে, তা পরিমপে করবে ওই যন্ত্র। নতুন করে রাস্তা তৈরির ফলে সেতুর উপর চাপ পড়া স্বাভাবিক। তাই বর্তমানে ফ্লাইওভারটি কতটা ভার বহন করতে সক্ষম, তাও খতিয়ে দেখা হবে।’
কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, এর বাইরেও কিছু রুটিন কাজ রয়েছে। উড়ালপুলের ‘এক্সপ্যানশন জয়েন্ট’ অর্থাৎ দু’টি গার্ডারের মধ্যবর্তী অংশ, যা সেতুর বিভিন্ন অংশকে জুড়ে রাখে, সেখানে কিছু জরুরি কাজ করতে হবে। কোথায় কোথায় ওই সংযোগকারী অংশে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, কম্পন পরীক্ষার পর তা জানা যাবে। কাজ করতে গিয়ে আরও কিছু সমস্যা নজরে এলে তাও মেরামতি করা হবে এই পর্বে। সমীক্ষার রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী যাবতীয় সংস্কার ও উন্নয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেএমডিএ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ