Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬

মালেগাঁও বিস্ফোরণ: সাধ্বী প্রজ্ঞাদের রেহাই: চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মৃতদের পরিবার

মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামালায় নিম্ন আদালতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ সাত অভিযুক্ত। এবার বিশেষ এনআইএ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবার।

মালেগাঁও বিস্ফোরণ: সাধ্বী প্রজ্ঞাদের রেহাই: চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মৃতদের পরিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামালায় নিম্ন আদালতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ সাত অভিযুক্ত। এবার বিশেষ এনআইএ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবার। ২০০৮ সালের মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ের সংখ্যালঘু বহুল ভিকু চকে বিস্ফোরণে ৬ জনের মৃত্যু হয়। আহতের সংখ্যা ১০১ জন। ১৭ বছর পর গত ৩১ জুলাই এই মামলার রায় দেয় এনআইএ আদালত।

Advertisement

হাইকোর্টে নিহতদের পরিবারের আর্জিতে বলা হয়েছে, তদন্তে গাফিলতি কখনওই বেকসুর খালাসের যুক্তি হতে পারে না। বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্র অত্যন্ত গোপনে হয়েছিল। সুতরাং কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ না থাকাটাই স্বাভাবিক। নিম্ন আদালতের রায় আইনসম্মত নয় বলেও আবেদনকারীদের দাবি।  
এই মামলার তদন্তে  নাম জড়ায়  প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞার। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম ছিল প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ পুরোহিত, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রমেশ উপাধ্যায়, সুধাকর চতুর্বেদী, অজয় রাহিরকর ও সুধকর ধর দ্বিবেদীরও। প্রথমে মহারাষ্ট্রের এটিএস (অ্যান্টি টেরিরিজম স্কোয়াড) প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। এরপর তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। কেন্দ্রীয় এই সংস্থা এটিএসের তদন্ত নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করে। বাদ যায় একাধিক ধারা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা। গত ৩১ জুলাই সেই মামলার শুনানিতে এনআইএ আদালত বলেছিল, ‘শুধুমাত্র নৈতিকতার যুক্তিতে আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে না।’ 
মামলাকারীরা তাঁদের আর্জিতে নিম্ন আদালত ও তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এ এস গাদকারির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সম্ভাবনা।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ