


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাম্পার ফলনের জন্য এবার রাজ্যের হিমঘরগুলিতে ৮০ লক্ষ টনের মতো আলু মজুত হয়েছে। হিসাব ব্যবসায়ী মহলের। এটাই এখনো পর্যন্ত আলুর রেকর্ড পরিমাণ সংরক্ষণ। কারণ গতবছর সংরক্ষিত আলুর পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৪ লক্ষ টন। হিমঘরে আলু সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া শেষ। হিমঘরের আলু আগামী মে মাস থেকে বেরিয়ে বাজারে আসতে শুরু করবে।
প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির কর্তা লালু মুখোপাধ্যায় জানান, ভোট পর্ব মিটলেই হিমঘরের আলু বাজারে আসতে শুরু করবে। হিমঘরের বাইরে এখনো যে প্রচুর পরিমাণ আলু আছে, সেটাই বাজারের ওই পর্যন্ত চাহিদা মেটাবে। বাংলার নতুন আলু প্রচুর পরিমাণে ভিন রাজ্যেও যাচ্ছে। চারটি রেলের রেকে অসম ও ত্রিপুরায় আলু গিয়েছে। সেগুলি মূলত হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরে উৎপন্ন। ট্রাকে করেও ভিন রাজ্যে আলু যাচ্ছে।
এখন নতুন জ্যোতি আলু ৬ টাকা কেজি দরে গ্রামীণ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে। কলকাতার খুচরো বাজারে অবশ্য তা বিক্রি হচ্ছে ১২-১৩ টাকায়। পরিবহণ খরচ এবং বিভিন্ন স্তরে ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের লাভের অঙ্ক যুক্ত হওয়ার জন্যই দাম বাড়ছে। হিমঘর থেকে আলু বেরোলে দাম আরো কিছুটা বাড়বে। কারণ হিমঘরের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ তার সঙ্গে যুক্ত হবে। তা সত্ত্বেও, এবার প্রচুর পরিমাণে আলু মজুত হওয়ায় জ্যোতি আলুর দাম কলকাতার খুচরো বাজারে কেজি প্রতি ২০ টাকার আশপাশেই থাকা উচিত। মত লালুবাবুর। এতে অবশ্য চাষিসহ অন্য যাঁরা আলু মজুত করে রেখেছেন তাঁদের তেমন লাভ হবে না। হিমঘরের আলু ভিন রাজ্যে পাঠানো দরকার। কারণ, রাজ্যের নিজস্ব চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি আলু মজুত আছে। ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যের নিজস্ব চাহিদা থাকে ৫৫ লক্ষ টনের মতো।