আতলেতিকো- ১ : রিয়াল- ০
(দু’লেগ মিলিয়ে ফল ২-২।
টাই-ব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয়ী রিয়াল)
আতলেতিকো- ১ : রিয়াল- ০
(দু’লেগ মিলিয়ে ফল ২-২।
টাই-ব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয়ী রিয়াল)
মাদ্রিদ: প্রথম লেগে দুরন্ত লড়েও হার। এরপর ফিরতি পর্বে ঘরের মাঠে জিতেও শেষরক্ষা হল না। টাই-ব্রেকারে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর লড়াই থেকেই বিদায় নিল আতলেতিকো মাদ্রিদ। বুধবার পেনাল্টি শ্যুট-আউটে শট নেওয়ার সময় পা পিছলে যায় জুলিয়ান আলভারেজের। এরপরই ভারের সাহায্য নিয়ে রেফারি জানান, আর্জেন্তাইন তারকা ডাবল টাচে শট নিয়েছেন। তাই তাঁর লক্ষ্যভেদ বাতিল করা হয়। এটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। এই পর্বে ৪-২ ব্যবধানে আতলেতিকোকে হারিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করল রিয়াল। উল্লেখ্য, প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল কার্লো আনসেলোত্তি-ব্রিগেড। তবে বুধবার স্তাদিও মেট্রোপলিতানোয় ০-১ গোলে হারলেও, দু’লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ২-২। এরপর টাই-ব্রেকারে রিয়ালের হয়ে জাল কাঁপাতে সফল কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহ্যাম, ফেডেরিকো ভালভার্দে ও আন্তোনিও রুডিগার। পক্ষান্তরে, আলভারেজের লক্ষ্যভেদ বাতিল হওয়ার পাশাপাশি আতলেতিকোর মার্কোস লরেন্তের শট পোস্টে ধাক্কা খায়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আসরে ঘরের মাঠে তিনবারের সাক্ষাতে কখনও মাদ্রিদ ডার্বি হারেনি আতলেতিকো। এই দুরন্ত পরিসংখ্যানকে হাতিয়ার করেই বুধবার মাঠে নেমেছিলেন গ্রিজম্যানরা। পক্ষান্তরে, প্রথম লেগের জয় কিছুটা হলেও এগিয়ে রেখেছিল রিয়ালকে। তবে ঘরের মাঠে প্রথম মিনিটেই লিড নেয় সিমোনে-ব্রিগেড। বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে রডরিগো ডে পলের পাস পায়ে বলে সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হন আলভারেজ। তবে যোগ্য সুযোগসন্ধানীর মতো সেই বল ফলো করে জাল কাঁপান কোনোর গ্যালাগার (১-০)।
অ্যাওয়ে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে লড়াইয়ে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় রিয়াল। তবে আতলেতিকোর জমাট রক্ষণে ফাঁটল ধরাতে ব্যর্থ তারা। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় রিয়াল। তবে স্পটকিক থেকে জাল কাঁপাতে ব্যর্থ ভিনিসিয়াস। অ্যাওয়ে ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফেরার সুর্বণ সুযোগ হাতছাড়া হতেই তখন রিয়াল সমর্থকদের কাছে রীতিমতো ভিলেন হয়ে দাঁড়ান ব্রাজিলিয়ান তারকা। ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে আতলেতিকো জিতলেও, দু’লেগ মিলিয়ে স্কোর সমান হওয়ায় খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। এই পর্বে রক্ষণ জমাটের উপর বাড়তি নজর দেয় আতলেতিকো। তবে পেনাল্টি শ্যুট-আউটে শেষ হাসি হাসে রিয়াল।
বিতর্কিত সিদ্ধান্তে দল বিদায় নিতেই ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আতলেতিকো কোচ ডিয়েগো সিমোনে। তিনি বলেন, ‘মাঠে উপস্থিত কোনও এক ব্যক্তি যদি আলভারেজের শট ডাবল টাচ হতে দেখেন, তাহলে দয়া করে হাত তুলবেন। রেফারির হয়তো এমনটাই মনে হয়েছে। তবে টাই-ব্রেকারে কোনও শট যাচাইয়ের জন্য ভারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা আমার জানা ছিল না। তবে আমি ছেলেদের লড়াইয়ে গর্বিত।’