মুল্লানপুর: ২০১৬ সালের পর এই প্রথমবার আইপিএলের ফাইনালে উঠেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। বৃহস্পতিবার প্রথম কোয়ালিফায়ারে পাঞ্জাব কিংসকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে তারা। বিরাট কোহলির হাতে প্রথমবার কোটিপতি লিগের ট্রফি ওঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন অনুরাগীরা। এই আসরে আরসিবি যে কখনও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি! মঙ্গলবার মোতেরা হয়ে উঠছে ১৮ বছরের আপশোস ঘোচানোর মঞ্চ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে আট উইকেটে জয়ের পর রজত পাতিদারদের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।
শ্রেয়স আয়ারদের দুরমুশ করে মাত্র ২৪.১ ওভারে ম্যাচে যবনিকা টানার নেপথ্যে জস হ্যাজলউড ও সুয়াশ শর্মা। দু’জনেই তিনটি করে উইকেট নেন। পাশাপাশি, ব্যাট হাতে বড় ভূমিকা নেন ফিল সল্ট। ২৩ বলে পঞ্চাশে পৌঁছান ডানহাতি ওপেনার, যা আইপিএলে তাঁর দ্রুততম। তবে ম্যাচের সেরা হয়েছেন সুয়াশ। তিনি বলেন, ‘আমার কাজ হল স্টাম্প লক্ষ্য করে বোলিং। তা সে গুগলিই হোক বা লেগস্পিন কিংবা ফ্লিপার। গুগলি হল আমার স্টক বল। পিচ থেকেও সহায়তা পেয়েছি। তবে এখনই উৎসবে মাতছি না। ফাইনালের পরই সেলিব্রেশন করব।’ কাঁধের চোট সারিয়ে ফেরা হ্যাজলউডকে নিয়েও দারুণ উচ্ছ্বাস আরসিবি শিবিরে। একমাস পর আইপিএলে নেমেই সফল তিনি। হ্যাজলউড বলেছেন, ‘আগামী ১১ জুন ডব্লুটিসি ফাইনাল, তার জন্য তৈরি হওয়া জরুরি ছিল। আর আইপিএলের থেকে প্রস্তুতির ভালো জায়গা হয় না। টেস্টে যেভাবে বল করি, সেভাবেই লাইন-লেংথ বজায় রেখেছি। কাঁধের চোট সারাতে গত কয়েক সপ্তাহ অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। তার সুফল পেলাম। ভালো লাগছে।’