Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফ্যানভাতের সঙ্গে কাঁচা ডিম দেওয়া হয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে! মাঝেমধ্যে মেলে না তাও, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিষেবায় প্রশ্ন। অভিযোগ প্রায়দিনই মাড়-ভাতের সঙ্গে কাঁচা ডিম দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হুমকি দেন বলে অভিযোগ।

ফ্যানভাতের সঙ্গে কাঁচা ডিম দেওয়া হয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে! মাঝেমধ্যে মেলে না তাও, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিষেবায় প্রশ্ন। অভিযোগ প্রায়দিনই মাড়-ভাতের সঙ্গে কাঁচা ডিম দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হুমকি দেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর হাসপাতাল মোড় লাগোয়া ১৪৭ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের। মঙ্গলবার সকালে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে স্থানীয়রা জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। সে সময়ে উপস্থিত ছিলেন সুপারভাইজার স্বপ্না হালদার। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তরফে অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এমনকী সুপারভাইজারও স্থানীয়দের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলরামপুরের সিডিপিও মহম্মদ শামিম বলেন, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের স্থায়ী ঠিকানা নেই। এলাকার খোলা জায়গায় ত্রিপল টাঙিয়ে রান্নার কাজ চলে। আমাদের তরফে যথাসাধ্য ভালো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সর্বোপরি ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অতীতে কোনও অভিযোগ ওঠেনি। তবে, স্থানীয়দের তরফে যেসব অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। 

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মা ও শিশু মিলিয়ে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রায় ৫০ জনের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনও স্থান না থাকায় স্থানীয় এলাকায় খোলা আকাশের নীচে ত্রিপল টাঙিয়ে রান্না হয়। অভিযোগ, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিষেবার মান একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। একাধিকবার প্রতিবাদ করলেও পরিস্থিতির বদল হয়নি। স্থানীয়দের বক্তব্য, খিচুড়ি মেলে না। প্রায়শই মাড়-ভাত দেওয়া হয়। সঙ্গে কাচা ডিম। মাঝেমধ্যে খাবারও মেলে না। এমনই একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে এদিন উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার খবর পেতেই সিডিপিও ওই অঙ্গনওয়াড়ির কর্মী, সহায়িকা ও সুপারভাইজারকে তলব করেছিলেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চান। সেইসঙ্গে, পরিষেবার মানোন্নয়নের পরামর্শও দেন। 
স্থানীয় মামন কালিন্দি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তরফে খিচুড়ি দেওয়া হয় না। কাচা ডিম ও মাড় ভাত দেওয়া হয়। এছাড়াও মাঝেমধ্যে খাবারও দেওয়া হয় না। এমনকী সেসব বিষয় কাউকে জানাতে মানা করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সন্ধ্যারানি মাহাত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কাউকে হুমকি দিইনি। সবটাই সাজানো কথা। স্থানীয়রা ন্যূনতম সাহায্যের হাত বাড়ায়নি। বৃষ্টির মধ্যে খোলা জায়গায় রান্না করতে হয়। বেশি বৃষ্টি হলে কোনও কোনও সময়ে কাচা ডিম দেওয়া হয়। তবে, নিয়মিত নিয়ম মেনেই খাবার দেওয়া হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ