নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: হিসাবের খাতায় গরমিল। প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার হিসাব মিলছে না। সতর্ক করার পরও ঠিকঠাক করতে পারেননি। শাস্তিস্বরূপ নন্দীগ্রাম-২ব্লকের বিরুলিয়া ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার বিষ্ণুপদ প্রামাণিককে সাসপেন্ড করল ডাক বিভাগ। তাঁকে অফিসে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ব্রাঞ্চটি রেয়াপাড়া সাব পোস্ট অফিসের অধীন। পোস্ট মাস্টারকে বারবার সতর্ক করার পরও হুঁশ ফেরেনি। শেষ পর্যন্ত ২৭জানুয়ারি সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ১৫দিনের মধ্যে হিসাবের খাতা ঠিকঠাক করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেটা করতে না পারলে আরও কড়া শাস্তি অপেক্ষা করছে।পোস্টাল বিভাগের তমলুক ডিভিশনের সুপার অসিতকুমার মহান্তি বলেন, ‘মঠচণ্ডীপুরের পোস্টাল ইন্সপেক্টর বিরুলিয়া পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ রয়েছে। আমি এনিয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছি।’ জানা গিয়েছে, বিরুলিয়া পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার বিষ্ণুপদ প্রামাণিকের বাড়ি স্থানীয় হানু ভুঁইয়া গ্রামে। তিনি নিয়মিত অফিসে যেতেন না বলে অভিযোগ। এমনকী, পোস্ট অফিসের খাতার কাজও ঠিকমতো সেরে রাখতেন না। তিন মাস অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ইনসপেকশনে গেলেই তিনি ভর্ৎসনার মুখে পড়তেন। সম্প্রতি হিসাবের খাতা চেক করে দেখা যায়, প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার গরমিল। খাতার কাজও ঠিকমতো সেরে রাখা হয়নি। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। সেইমতো ২৭তারিখ তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। ২৮তারিখ থেকেই অন্য এক কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।



