Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬

‘দুর্ঘটনাপ্রবণ’ এলাকা ও সংকীর্ণ রাস্তার জন্যই গোয়ার মন্দিরে পদপিষ্ট পুণ্যার্থীরা, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান

মন্দিরে ঢোকার সংকীর্ণ রাস্তা। একটি জায়গায় থাকা ঢালু অংশটি দুর্ঘটনাপ্রবণ। গোয়ার শিরগাঁওয়ে শ্রী লায়রাই দেবী মন্দিরে পদপিষ্টের ঘটনার তদন্তে নেমে এমনটাই অনুমান তদন্তকারীদের।

‘দুর্ঘটনাপ্রবণ’ এলাকা ও সংকীর্ণ রাস্তার জন্যই গোয়ার মন্দিরে পদপিষ্ট পুণ্যার্থীরা, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান
  • ৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পানাজি: মন্দিরে ঢোকার সংকীর্ণ রাস্তা। একটি জায়গায় থাকা ঢালু অংশটি দুর্ঘটনাপ্রবণ। গোয়ার শিরগাঁওয়ে শ্রী লায়রাই দেবী মন্দিরে পদপিষ্টের ঘটনার তদন্তে নেমে এমনটাই অনুমান তদন্তকারীদের। একইসঙ্গে পুণ্যার্থীদের দুই দলের মধ্যে বচসার দাবিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শনিবার মন্দিরে চলছিল বার্ষিক শোভাযাত্রা। পালন করা হচ্ছিল ‘অগ্নিদিব্য’। ভোররাতে আচমকা প্রবেশপথে থাকা ঢালু অংশে পড়ে যান ৪০ থেকে ৫০ জন। হুড়োহুড়ির মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে ছ’জনের মৃত্যু হয়। জখম কমপক্ষে ৭০। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর জখমদের মধ্যে ১৩ ভর্তি রয়েছেন গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সুপার ডাঃ রাজেশ পাতিল জানান, গুরুতরদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি।

Advertisement

ঘটনায় তদন্তের জন্য ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে গোয়া প্রশাসন। নেতৃত্বে রয়েছেন কমিশনার ও সচিব (রাজস্ব) সন্দীপ জ্যাক্স। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানে ভিড় সামলানোর দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বয়ান রেকর্ড করেছে কমিটি। এবিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে গত বছর উৎসব চলাকালীন একই জায়গায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা হয়েছিল। তারপরেও এবছর কেন সাবধনতা অবলম্বন করা হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে। ঢোকার রাস্তা সংকীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দোকান বসানোর অনুমতি দিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। যার জেরে পুণ্যার্থীদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘কালেক্টর স্নেহা গিত্তে, এসপি অক্ষত কৌশল, ডেপুটি কালেক্টর ভীমনাথ খোরজুভেকর সহ বহু দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। আশা করছি, দু’তিন দিনের মধ্যেই যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাব।’
জানা গিয়েছে, রবিবারও মন্দিরে ভিড় জমান কয়েকশো পুণ্যার্থী। মন্দির কমিটির সভাপতি দীননাথ গাওনকরের কথায়, ‘শনিবার দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। প্রাণহানিও হয়েছে। কিন্তু আমরা রীতি বন্ধ করতে পারি না। পুণ্যার্থীদের গ্রামে না আসার আর্জি জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।’ স্থানীয় এক বাসিন্দা অবশ্য বলেছেন, ‘গোয়া, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকজুড়ে দেবী লায়রাইয়ের বহু ভক্ত রয়েছেন। তাঁদের উৎসবে যোগদান করা থেকে কেউ আটকাতে পারবে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ