নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বাঁশবেড়িয়ায় শুরু হল মিনি কুম্ভের প্রস্তুতি। বুধবার বাঁশবেড়িয়ার গঙ্গার পাড়ে সপ্তর্ষি ঘাটে মাঘী সংক্রান্তির কুম্ভ স্নানের ভূমিপুজো হয়। উপস্থিত ছিলেন সাধুসন্ত মহাজনরা। পাশাপাশি এদিনই কুম্ভ স্নান ও মেলার আয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উপস্থিতিতে হয়েছে সমন্বয় বৈঠক। হুগলি জেলা সদরের মহকুমা শাসক স্মিতা সান্যাল শুক্লা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও ভিড় সামলানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কুম্ভ মেলার মূল পরিষেবা দেওয়ার দায়িত্বে থাকে বাঁশবেড়িয়া পুরসভা। পুর চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী ছিলেন বৈঠকে। পুরসভা সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
Advertisement
আয়োজক সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে কুম্ভ মেলা শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি শাহি স্নান। ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলবে। গত কয়েকবারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনার পর আয়োজকদের দাবি, এবার পুণ্যার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। সম্প্রতি প্রয়াগে কুম্ভ স্নানে গিয়ে মানুষকে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছিল। সেই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সতর্ক রয়েছে আয়োজক ও প্রশাসন। মহকুমা শাসক বলেন, ‘বৈঠকে সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কুম্ভ স্নান ও মেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত কয়েকবছর ধরে ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে বাঁশবেড়িয়ার পুণ্যতীর্থে কুম্ভমেলার আয়োজন হচ্ছে। মেলা ও শাহি স্নান সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অতীত থেকে আমরা কিছু শিক্ষা নিয়েছি। সেই অনুসারে এবার বিপুল সংখ্যক বায়ো টয়লেট সহ অন্যান্য আয়োজন রাখা হবে। ভিড়ের কথা মাথায় রেখে বিশেষ কয়েকটি পদক্ষেপ আমরা ও পুলিস মিলে নেব।’ অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা কাঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সবরকমের প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস মিলেছে। স্থানীয় একটি মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে।’
গবেষকদের একাংশের দাবি, বাঁশবেড়িয়ার ত্রিবেণী সঙ্গম পুণ্যতীর্থ। কয়েকশো বছর আগে প্রয়াগে যাওয়ার পথে ত্রিবেণী ছুঁয়ে যেতেন অনেক সাধু। সে কারণে কুম্ভের একটি স্নান পর্ব ত্রিবেণীর গঙ্গায় হতো। কয়েকবছর আগে বাঁশবেড়িয়ায় নতুন করে কুম্ভ মেলা ও কুম্ভ স্নানের আয়োজন হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এবারও জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র কুম্ভ মেলা লাগোয়া এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, শিবপুর স্পোর্টিংয়ের মাঠে মূল মেলা হবে। আর পুণ্যার্থীদের জন্য স্থানীয় উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গবেষকদের একাংশের দাবি, বাঁশবেড়িয়ার ত্রিবেণী সঙ্গম পুণ্যতীর্থ। কয়েকশো বছর আগে প্রয়াগে যাওয়ার পথে ত্রিবেণী ছুঁয়ে যেতেন অনেক সাধু। সে কারণে কুম্ভের একটি স্নান পর্ব ত্রিবেণীর গঙ্গায় হতো। কয়েকবছর আগে বাঁশবেড়িয়ায় নতুন করে কুম্ভ মেলা ও কুম্ভ স্নানের আয়োজন হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এবারও জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র কুম্ভ মেলা লাগোয়া এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, শিবপুর স্পোর্টিংয়ের মাঠে মূল মেলা হবে। আর পুণ্যার্থীদের জন্য স্থানীয় উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।



