


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে ফের মারধর ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ মিলেছে সন্দেশখালি থেকে। এক্ষেত্রে অভিযোগের তির স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিষ্ণুপদ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে। তিনি আবার সন্দেশখালি ২ ব্লকের খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার টাকিতে বাপের বাড়ি থেকে সন্দেশখালিতে শ্বশুরবাড়িতে আসছিলেন নির্যাতিতা। অভিযোগ, বাস থেকে নামার পর তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য তথা ওই শিক্ষক তাঁর পথ আটকান। এমনকী তাঁকে মারধর করেন, জামাকাপড় ছিঁড়ে দেন এবং মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকিও দেন বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক বছর আগে বিষ্ণুপদ ওই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যার অশ্লীল ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী সন্দেশখালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। মামলা এখন আদালতে বিচারাধীন। ঘটনার পর আতঙ্কে তিনি টাকির বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেন। শুক্রবার শ্বশুরবাড়িতে ফেরার পর ফের অস্ত্র দেখিয়ে তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। শনিবার দুপুরে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা সন্দেশখালি থানায় নতুন করে শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে সন্দেশখালি থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আর স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে।