Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

বিক্রান্তের ভয়ে সিন্দুর অভিযানে ঘুম উড়েছিল পাকিস্তানের: নরেন্দ্র মোদি

অপারেশন সিন্দুরের সময় অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভারতের উপকূলে টহল দিয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরি এই যুদ্ধজাহাজের জন্যই করাচি বন্দর থেকে পাকিস্তানের নৌসেনা আরব সাগর হয়ে ভারতের দিকে আসার সাহস দেখায়নি। সেই আইএনএস বিক্রান্তেই সোমবার দীপাবলি পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিক্রান্তের ভয়ে সিন্দুর অভিযানে ঘুম উড়েছিল পাকিস্তানের: নরেন্দ্র মোদি
  • ২১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পানাজি: অপারেশন সিন্দুরের সময় অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভারতের উপকূলে টহল দিয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরি এই যুদ্ধজাহাজের জন্যই করাচি বন্দর থেকে পাকিস্তানের নৌসেনা আরব সাগর হয়ে ভারতের দিকে আসার সাহস দেখায়নি। সেই আইএনএস বিক্রান্তেই সোমবার দীপাবলি পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোয়া ও কারওয়ার উপকূলে অবস্থানরত যুদ্ধজাহাজে রবিবার রাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গেই রাত কাটান প্রধানমন্ত্রী। এদিন রীতিমতো সামরিক পোশাকে ভাষণ দেন তিনি। বলেন, ‘ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা কতটা, তা আইএনএস বিক্রান্ত দেখিয়ে গিয়েছে। এই এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক। যার নাম শুনেই অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানের ঘুম উড়ে গিয়েছিল। বিক্রান্তের শক্তি এতটাই যে, যুদ্ধ শুরুর আগেই তা শত্রুর মনোবল ভেঙে দেয়।’ মোদি দাবি করেন, বিক্রান্ত শুধু একটি যুদ্ধজাহাজ নয়, একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের কঠোর পরিশ্রম, প্রতিভা, প্রভাবের নিদর্শন। এদিন যুদ্ধজাহাজের ফ্লাইট ডেকে অবস্থানরত মিগ-২৯-কে ফাইটার জেট পরিদর্শন করেন মোদি। 

Advertisement

২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পরই আরব সাগরে তত্পর হয় আইএনএস বিক্রান্ত। সঙ্গে ছিল আরও ৮ থেকে ১০টি যুদ্ধজাহাজ। এরপরই জলপথে প্রত্যাঘাতের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা জারি করে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক সময়ে সেটিই ছিল ভারতীয় নৌসেনার বৃহত্তম ‘রিয়েল-টাইম অপারেশনাল মুভমেন্ট’। এদিন তারও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, তিন বাহিনীর অসাধারণ সমন্বয়ের জন্যই পাকিস্তান অপারেশন সিন্দুরে নতজানু হতে বাধ্য হয়েছিল। এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বারবারই উঠে এসেছে ভারতের নিজস্ব সামরিক প্রযুক্তির কথা। তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী হওয়ার জন্য স্বনির্ভর হওয়া অত্যন্ত জরুরি। অপারেশন সিন্দুরের সময় ব্রহ্মস ও আকাশের মতো ক্ষেপণাস্ত্র তাদের ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। এখন বিভিন্ন দেশ ভারতের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে।’ এখন সেনার বহু সামগ্রীই বিদেশ থেকে রপ্তানির বদলে ভারতেই তৈরি করা হচ্ছে। গত ১১ বছরে ভারতের সামরিক উত্পাদন তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর যার পরিমাণ দেড় লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছিল। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন শিপইয়ার্ডস ৪০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন নৌবাহিনীর জন্য তৈরি করেছে বলেও দাবি করেন মোদি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ