Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জঞ্জাল অপসারণ নিয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি, কিন্তু কাজ কই? বারাসতে শাসক-বিরোধী তরজা, যানজটও ভোটের ইস্যু

বারাসত বিধানসভায় ভোটের লড়াই এবার বড় কোনও তাত্ত্বিক বিতর্ক নিয়ে নয়, হচ্ছে একেবারে মাটির সমস্যা নিয়ে। আবর্জনার স্তূপ আর নিত্যদিনের যানজট– এই দুই ইস্যুকেই সামনে রেখে তৃণমূলকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে বিরোধীরা।

জঞ্জাল অপসারণ নিয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি, কিন্তু কাজ কই? বারাসতে শাসক-বিরোধী তরজা, যানজটও ভোটের ইস্যু
  • ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বারাসত বিধানসভায় ভোটের লড়াই এবার বড় কোনও তাত্ত্বিক বিতর্ক নিয়ে নয়, হচ্ছে একেবারে মাটির সমস্যা নিয়ে। আবর্জনার স্তূপ আর নিত্যদিনের যানজট– এই দুই ইস্যুকেই সামনে রেখে তৃণমূলকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে বিরোধীরা। তাদের প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও শহরের মৌলিক সমস্যাগুলির সমাধান করতে পারল না তৃণমূল। বারাসত বিধানসভার মধ্যে আছে জেলা সদর শহর বারাসত পুরসভা। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আজও জমে থাকা নোংরা যেন সেই অভিযোগেরই প্রমাণ। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, আবর্জনা সরানোর ক্ষেত্রে গাফিলতি– সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে যে, সেটা সাধারণ মানুষের অসন্তোষকে আরও তীব্র করছে। বিরোধীরা প্রচারে বারবার বলছে, বছরের পর বছর কেটে গেল, জঞ্জাল প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে প্রতিশ্রুতিও পাওয়া গেল অনেক– কিন্তু কাজ কোথায়? আর এই প্রশ্নটিই এখন তৃণমূলের কাছে সবচেয়ে বড় অস্বস্তির কারণ।

Advertisement

শহরের যানজট সেই অস্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। অটো-টোটোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, নির্দিষ্ট রুট না মানা, যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা– সব মিলিয়ে শহরের প্রধান সড়কে প্রায় রোজই বিশৃঙ্খলার ছবি। অফিস টাইমে এই সমস্যা তীব্রতর হয়। এই অভিজ্ঞতা প্রত্যেক ভোটারেরই। তবে পুরো ছবিটা একপেশে নয়। তৃণমূলের তরফে দাবি, দ্রুত নগরায়নের চাপেই এই সমস্যাগুলি তৈরি হয়েছে। ধাপে ধাপে সমাধানের কাজ চলছে। তারা এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছে, শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যার সুফল ইতিমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে মিলতে শুরু করেছে।
এর মধ্যে তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ প্রার্থী ইস্যুও কিছুটা হলেও রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়িয়েছে।
এনিয়ে বারাসতের তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্তের দাবি, আবর্জনার সমস্যা দ্রুত মিটবে। আর যানজট সমস্যার জন্য পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরেই তাঁর যুক্তি, বারাসতের বাসিন্দারা না চড়লে অটো-টোটো বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষই তো চড়ছেন। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শংকর চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ভোট এলেই তৃণমূলের নেতাদের মুখে উন্নয়নের কথা আসে। এতদিন ক্ষমতায় থেকেও সামান্য যানজট ও আবর্জনার সমস্যা মেটাতে পারলেন না। এদিকে ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী হেমন্ত দাস বলেন, আসলে নাগরিক পরিষেবা বারাসত শহরে নেই। দিনের পর দিন যানজট আর আবর্জনার জেরে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ