Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

রাজ্যে ওবিসি কারা সমীক্ষা তিন মাসেই, সুপ্রিম কোর্টে জানাল মমতা প্রশাসন

অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) কারা, তা নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। আর এই সমীক্ষার কাজ করতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে। তাই আপাতত মামলা পিছনো হোক।

রাজ্যে ওবিসি কারা সমীক্ষা তিন মাসেই, সুপ্রিম কোর্টে জানাল মমতা প্রশাসন
  • ১৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) কারা, তা নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। আর এই সমীক্ষার কাজ করতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে। তাই আপাতত মামলা পিছনো হোক। রাজ্যের ওবিসি সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এমনই আর্জি জানাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সর্বোচ্চ আদালত সেই আর্জি মেনে নিয়েছে। সেই মতো আগামী জুলাই মাসে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলেই জানিয়ে দিল বিচারপতি বি আর গাভাই এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহর বেঞ্চ। শুনানির পর্যবেক্ষণে বিচারপতি গাভাই বলেন, নতুন করে সমীক্ষার পর যদি সংরক্ষণ নিয়ে কোনও পক্ষের কোনও বক্তব্য না থাকে, কেউ ক্ষুব্ধ না হন, তাহলে তো এই মামলা স্রেফ অ্যাকাডেমিক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, নিরপেক্ষ হয়ে সমীক্ষা করতে হবে। 

Advertisement

রাজ্যের ৭৭টি অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে হেরে যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০১০ সালের পর থেকে তৈরি যাবতীয় ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট। সেই  নির্দেশের জেরে প্রায় ১২ লক্ষ শংসাপত্র অকেজো হয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে, ওই ওবিসি শংসাপত্রর জেরে চাকরি বা অন্যান্য সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে কী হবে? তাই হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার, পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর।
এদিন সেই মামলার শুনানিতেই নতুন করে ওবিসি সমীক্ষা করার কথা জানালেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবাল। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করলেও এদিন প্রথমবার নতুন করে সমীক্ষার কথা সামনে আনলেন রাজ্যের আইনজীবী। বললেন, পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর নতুন করে সমীক্ষা করবে বলে জানিয়েছে। তিন মাস সময় লাগবে। তাই মামলা পিছনো হোক। কিন্তু এতে অন্য পক্ষের আপত্তি আছে কি না, জানতে চান বিচারপতি গাভাই। বিবাদী অমলচন্দ্র দাসের পক্ষে কিছু বলার আগেই সিবাল বলেন, অন্যপক্ষের আপত্তি থাকার কথা নয়। ওদের আবেদনই তো ছিল ওবিসি শংসাপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন করে সমীক্ষা হোক। সিবালের সওয়াল শুনে তাই রাজ্যের আবেদন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ