নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট হতে চলেছে। ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। এদিকে ২২ ফেব্রুয়ারি মাসের চতুর্থ শনিবার। সেটি ব্যাঙ্ক বন্ধেরই দিন। তার পরদিন আবার রবিবার। সব মিলিয়ে এরাজ্যে টানা চারদিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা পাবেন না সাধারণ গ্রাহক। ২৬ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রিতে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্কগুলিতে ছুটি নেই। তবে বেশিরভাগ রাজ্যে ওইদিন ছুটি থাকে। তাই সেসব রাজ্যে ব্যাঙ্ক পরিষেবা বন্ধ থাকবে পরপর পাঁচদিন! উল্লেখ্য, ওই দীর্ঘ সময়ে এটিএম পরিষেবাও ব্যাহত হবে।
Advertisement
কেন এই ধর্মঘট? অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, বেশকিছু দাবিদাওয়াকে যেমন আমরা সামনে এনেছি, তেমনই বিরোধিতা করছি দুটি বিষয়ের। দাবিগুলির মধ্যে সবার আগে আছে—যথাযথভাবে শূন্যপদগুলির পূরণ এবং সপ্তাহে পাঁচদিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার যে পদক্ষেপগুলি করছে, তার কয়েকটি শ্রমিক-স্বার্থ-বিরোধী। আমরা সেসবের যেমন বিরোধিতা করছি, তেমনই দেখতে পাচ্ছি—ব্যাঙ্কের নীতিগত সিদ্ধান্তে নাক গলাচ্ছে অর্থমন্ত্রক। এই জিনিস একেবারেই নিয়মবিরুদ্ধ। তারও প্রতিবাদ করছি আমরা।
ব্যাঙ্ককর্মীর সংখ্যা কত কমেছে? রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে মোট কর্মী ছিলেন ৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮৪১ জন। ২০২৪ সালে সংখ্যাটি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ৫৬ হাজার। এতেই পরিষ্কার, সাতবছরে লক্ষাধিক কর্মী হারিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি। কর্মী ও অফিসার কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে সুষ্ঠু পরিষেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ধর্মঘটীরা।
তাঁদের আরও বক্তব্য, সপ্তাহে পাঁচদিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা চালু রাখার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল প্রায় দু’বছর আগে। ব্যাঙ্কগুলির সংগঠন ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন (আইবিএ) পাঁচদিন পরিষেবার দাবিটি অনেক আগেই মেনে নিয়েছে। তারপর দীর্ঘকাল কেটে গেলেও সেই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হল না। কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি নিয়ে আশ্চর্যজনকভাবে চুপ। এটাকে আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য দাবি হিসেবেই সামনে রাখছেন ব্যাঙ্ক অফিসাররা।
ব্যাঙ্ককর্মীর সংখ্যা কত কমেছে? রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে মোট কর্মী ছিলেন ৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮৪১ জন। ২০২৪ সালে সংখ্যাটি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ৫৬ হাজার। এতেই পরিষ্কার, সাতবছরে লক্ষাধিক কর্মী হারিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি। কর্মী ও অফিসার কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে সুষ্ঠু পরিষেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ধর্মঘটীরা।
তাঁদের আরও বক্তব্য, সপ্তাহে পাঁচদিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা চালু রাখার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল প্রায় দু’বছর আগে। ব্যাঙ্কগুলির সংগঠন ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন (আইবিএ) পাঁচদিন পরিষেবার দাবিটি অনেক আগেই মেনে নিয়েছে। তারপর দীর্ঘকাল কেটে গেলেও সেই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হল না। কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি নিয়ে আশ্চর্যজনকভাবে চুপ। এটাকে আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য দাবি হিসেবেই সামনে রাখছেন ব্যাঙ্ক অফিসাররা।



