


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঘাটতি কমলেও আয়বৃদ্ধি আশানুরূপ হয়নি। তবুও আগামী অর্থবর্ষের পুর-বাজেটে চমকপ্রদ কোনো ‘এক্সপেরিমেন্ট’-এর পথে হাঁটেননি কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বিভিন্ন খাতে কর বা ফি বৃদ্ধি না করেও বিভিন্ন পরিষেবা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছেন তিনি। পানীয় জল সরবরাহ, জঞ্জাল অপসারণ, সড়ক সহ বিভিন্ন বিভাগের বরাদ্দ অল্প হলেও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাজেট ঘাটতি দেখানো হয়েছে ১১১ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবর্ষে (২০২৫-২৬) জল সরবরাহ বিভাগের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৪৫৪ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। এবারের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ২ কোটি। নিকাশি বিভাগে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৩৫৩.৭৫ কোটি টাকা, গতবারের তুলনায় ১.১৮ কোটি টাকা বেশি। সড়ক বিভাগের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩৩৪.৩০ কোটি টাকা। এবার এই খাতে বরাদ্দ ৯.২৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্যান বিভাগের বরাদ্দ বৃদ্ধি হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা। আলোক বিভাগে ৪৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি হয়ছে। এই বিভাগে বরাদ্দের অঙ্ক ১৫৬.৫৫ কোটি টাকা। জঞ্জাল সাফাই বিভাগের বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৬৯০.০৩ কোটি টাকা। আগের তুলনায় ৩.৪৬ কোটি টাকা বেশি। জঞ্জাল সাফাই বিভাগের গাড়ির জন্য আগামী বাজেটে বরাদ্দ ২ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৮৩.৫৪ কোটি টাকা। বরাদ্দ বেড়েছে ৩.৪৯ কোটি। আয়ের লক্ষ্যমাত্রাও বাড়ানো হয়েছে। নিকাশি বিভাগ থেকে আয় ১ কোটি টাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হচ্ছে (৭১.৪২ কোটি)।
জঞ্জাল সাফাই থেকে আয় ১ কোটি বাড়িয়ে ধরা হয়েছে ১২৭.৩০ কোটি। বিল্ডিং বিভাগ ৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। এই বিভাগে আয় ধরা হয়েছে ২৮০.৪৮ কোটি। চলতি বছরে সম্পত্তি কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১,৫৩৩ কোটি টাকা। আগামী বছর এই লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে করা হয়ছে ১,৫৫৫ কোটি টাকা।